শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রূপগঞ্জে জেনারেল (অব:) জিয়াউল আহসান ও তার স্ত্রীর নামীয় জলসিড়িতে ৮ তলা বাড়ির ফ্ল্যাট সিলগালা রূপগঞ্জ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ইলেকট্রনিক পণ্য বিক্রির ধুম ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ইমদাদুল্লাহ হাশেমীর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু ভারসাম্যহীন নারী সাথী ঝুলান্ত লাশ উদ্ধার বন্দর থানা ২ নারীসহ ৭ জন গ্রেফতার ঝরে গেল আরেকটি সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিনের ইন্তেকাল বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও বন্দর উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশ্বনবী (সঃ) ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল

রাণীশংকৈলে কুলিক নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের গর্তে শিশু নিহতের ঘটনায় মানববন্ধন

মাহাবুব আলম / ৩৮৭ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৫, ১১:১৩ অপরাহ্ন

রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল কুলিক নদীতে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের গর্তে পড়ে শিশু নিহতের ঘটনায় বুধবার (২৭ আগষ্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিন হয়।

অভিযোগ উঠেছে মানববন্ধনটি বানচালের জন্য ইউএনও ব্যাপক চেষ্টা চালিয়েছে। অবশেষে অল্প সংখ্যাক মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধনটি শেষ হয়।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাব-ঠিকাদার মতিউর রহমান ও ইউএনও শাফিউল মাজলুবিন রহমানের অবহেলাজনিত অপরাধের বিচার দাবী করেন। বর্তমানে উত্তরগাঁও এলাকা দিয়ে বয়ে যাওয়া কুলিক নদীর বালু তোলা অংশটি ব্যাপক ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। এটির দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে এলাকাবাসীকে বিপদ থেকে রক্ষা করার দাবী তোলা হয়।

তারা আরো বলেন, ইউএনও যদি আইনভঙ্গ করে, তাহলে রক্ষা করবে কে? যেখানে ড্রেজার দিয়ে নদী থেকে বালু তোলার অপরাধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ অনুযায়ী ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। কিন্তু চতুর ইউএনও উল্টো ঠিকাদারের ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে রামরায় পুকুরে নিয়ে এসেছেন। আর নদীর সেই গর্তে উত্তরগাঁও গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে শায়ান আহাম্মদ নদীতে খেলাধুলা করতে গিয়ে ড্রেজারের বালু তোলা গর্তে পড়ে পানির নিচে তলিয়ে যায়। পরে ড্রেজার মেশিনের লোকজন তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে।

নিহতের মা বিলকিস বেগম জানান, আমার ছেলের বিনিময়ে আমি কিছু চাইনা, যাদের অবহেলায় আমার সন্তানটি মারা গেছে তাদের বিচার চাই।

এপ্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাফিউল মাজলুবিন রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

এবিষয়ে জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা মুঠোফোনে জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি। শিশুর মৃত্যুর ঘটনাটি অনন্ত দুঃখজনক। তবে ইউএনও বলেছেন সে বালু কিনে নিয়েছে। ইভার ব্যাংক প্রটেকশন প্রকল্পের আওতায় কনটাক্টরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি যদি ড্রেজারের মাধ্যমে নদী থেকে বালু তোলে থাকে তাহলে সেটি বে-আইনি জেলা নির্বাহি প্রকৌশলী কে দায়িত্ব দিয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..