মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পরীক্ষার খাতা আর লেখা হলো না: সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এসএসসি পরীক্ষার্থী নাহিদউল্লাহর চিরবিদায় পুঠিয়া-দুর্গাপুরে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের ক্ষোভ রূপগঞ্জে পরিবেশ উন্নয়নে অভিযান, গাছের চারা রোপন, বিতরণ ও আলোচনা সভা রূপগঞ্জে পিকনিক ট্রলারে মাদক ও নারী, ইউপি সদস্যসহ গ্রেফতার-২০ বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩টি ঘর ভস্মীভূত জীবনের নিরাপত্তা ও জমি দখলের আবেদনে বন্দর থানায় অভিযোগ ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বন্দরে মুরগি ব্যবসায়ীর মোবাইল ও টাকা লুটে নিল ছিনতাই চক্র শাকিল ও জয়নাল বাহিনী  ফতুল্লা থানায় পারিবারিক বিরোধে সালিশে মারামারি পুঠিয়া পৌরসভার উদ্যোগে এক হাজার গাছের চারা রোপণ 

রাণীশংকৈলে দিনমজুরের বাড়িতে কৃষি কাজে ব্যাবহৃত ১৯ টি মেশিন ও সোলার পাম্প 

মাহাবুব আলম / ৫৯৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: দূর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন আমার বাড়ির কাজের লোক যখন ৪শ কোটি টাকার মালিক। ঠিক তেমনিই ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা কৃষি অফিসের দিনমুজুরীর কাজে থাকা সেই শামসুল, একটি সোলার পাম্প সহ কৃষি কাজে ব্যবহৃত ১৯ টি মেশিনের মালিক। শূন্য থেকে গড়েছেন অঢেল সম্পদ। 

জানা গেছে, উপজেলার হোসনেগাঁও ইউনিয়নের ভুকুরগাঁও উজধারী গ্রামের আব্দুল রাজ্জাকের ছেলে শামসুল হক, তার বাবার ৩ ছেলে বসতভিটাসহ জায়গা জমি প্রায় ২ বিঘা। সে কৃষি অফিসে প্রায় ৭ বছর ধরে ৫ শত টাকা হিসাবে দিনমজুরের কাজ করে আসছে। কিন্তু এলাকায় তাঁকে অনেকেই চিনে কৃষি অফিসার হিসেবে।

স্থানীয় বাসিন্দা মির্জা মিঠু ও ফরিদা বেগম বলেন, সে কৃষি অফিসে দিনমুজুর হিসেবে কাজ করে অথচ হয়েছেন অঢেল সম্পদের মালিক, তৈরি করেছেন ৩ ভাইয়ের পৃথক ৩ টি পাকা বাড়ি। বাড়িতে রয়েছে একটি সোলার সেচ পাম্পসহ ১৯ টি কৃষি কাজে ব্যবহৃত গাড়ী। ধান রোপন করা মেশিন ১২ টি, সরিষা মাড়াই মেশিন ৩ টি, ধান কাটা মেশিন ৩ টি, কেঁচো সার উৎপাদনের জন্য ১ টি মেশিন রয়েছে। তাছাড়াও বিভিন্ন সময়ে কৃষি অফিসের মাধ্যমে তার ভাই সানোয়ার, আনিসুর ও পরিবারের গৃহীনিদের নামে নিয়ে থাকেন সরকারি প্রনোদনা।

এবিষয়ে শামসুল হকের মা আনজুয়ারা বেগম বলেন, এই মেশিন গুলো কৃষি অফিস থেকে আমার ছেলে নিয়ে এসেছে। আপনার ছেলে কৃষি অফিসে কি করে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সে কৃষি অফিসে চাকুরী করে, তবে কি পদে চাকুরী করে তা আমার জানা নেই। আগের চেয়ে আমরা এখন ভাল আছি বর্তমানে আমাদের এখন ৭ বিঘা আবাদি জমি।

এ প্রসঙ্গে শামসুল হক মুঠোফোনে বলেন, আমি কৃষি অফিসে দিনমজুর হিসাবে কর্মরত আছি। আমার নিজস্ব কোন জায়গা জমি নেই তাই মেশিনগুলো আমার মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় কৃষি কাজের জন্য ভাড়া হিসাবে ব্যবহার করে থাকি। সরকারি প্রণোদনা আপনি কৃষি অফিস থেকে কেমন পান? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার ভাইয়ের নামে একটি বেগুনের প্রকল্প এপ্রিল মাসে নিয়েছিলাম এবার সরিষা ও গম প্রণোদনা চেয়েছি দিবে কিনা জানিনা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম জানান, সে আগে থেকেই এ-অফিসে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতো। তাছাড়া উজধারী মধ্যপাড়া এলাকায় সবজি কৃষক-ফসল নামে একটি গ্রুপ রয়েছে। এজন্য তাঁর বাসায় মেশিন গুলো রাখা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..