শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফটো সাংবাদিকদের ‘সাপোর্ট স্টাফ’ হিসেবে শ্রেণিবিন্যাস: নির্বাচন কমিশনের অনভিপ্রেত ও অসম্মানজনক সিদ্ধান্ত কামরুলকে বিজয়ী করতে ভোটের জন্য ঘরে ঘরে যাচ্ছেেন, বিএনপির কর্মী মো.সবুর আলী রূপগঞ্জে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দুই প্রার্থীর রূপগঞ্জে ৯ টি স্পটে বিএনপি প্রার্থীর পথসভা ও গণসংযোগ রূপগঞ্জের চাইল্ড হ্যাভেন ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রূপগঞ্জ বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি প্রার্থী দিপু ভুঁইয়ার উদ্যোগে রূপগঞ্জে ৪ সহস্রাধিক রোগীকে ফ্রী চিকিৎসা সেবা প্রদান দেয়াল ঘড়ি মার্কা প্রার্থী সিরাজুল মামুন’র মুছাপুর ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ আবুল কাওসার আশার মহানগর ২০ নং ওয়ার্ডে উঠান বৈঠক

সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ক্যাশিয়ার  উৎকোচ ছাড়া কাজ করেন না

গ্রামীন কণ্ঠ ডেস্ক / ২২৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৫, ১২:২০ পূর্বাহ্ন

সোনারগাঁ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হিসাব রক্ষক (ক্যাশিয়ার) মো. উল্লাহ’র বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়,দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত আওয়ামী লীগ ও তার দোসরদের সহায়তায় এ হাসপাতালে চাকুরী করছেন মো. উল্লাহ। চাকুরী জীবনের শুরুতে নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে যোগদান করলেও পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ ও তার দোসরদের ম্যানেজ করে খুব দ্রুতই অফিস সহকারী হয়ে ওঠেন। ঠিক তখনি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ইশারায় ক্যাশিয়ারের দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করে হয়েযান কোটিপতি।

তথ্যা অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা যায়, সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পিছনে রয়েছে তার নিজস্ব একটি জায়গায়। ওইখানে গড়ে তুলেছেন পাঁচতলা একটি ভবন। যাহা একজন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীর শুধুমাত্র বেতনের টাকায় করা অসম্ভব। অত্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আশেপাশের লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায় অতীতে কোন প্রকার টেন্ডার ছাড়াই মো. উল্লাহ হাসপাতালের বিভিন্ন মালামাল সরিয়ে বিক্রি করেছেন, এই কাজ করতে গিয়ে বিভিন্ন সময় এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়ে গনপিটুনির স্বীকার হয়েছেন। বিগত প্রায় বছর তিন আগে হাসপাতালের প্রধান ফটকে তার চুরিকৃত মালামালসহ এলাকাবাসী তাকে আটক করে মারধর করেন। সে সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প.কর্মকর্তা ডা. পলাশ কুমার সাহা এর হস্তক্ষেপে এলাকাবাসী তাকে ছেড়ে দেন।

এছাড়াও বন বিভাগের অনুমোদন ব্যতীত হাসপাতালের সরকারি বিভিন্ন গাছ কেটে তার নিজ বাড়ীর জন্য বিভিন্ন আসবাবপত্র তৈরি করেন। রয়েছে তার বিরুদ্ধে মসজিদ নির্মানের মালামাল বিক্রিরও অভিযোগ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারী বলেন, হাসপাতালের যে কোন বিল, বেতন, পেনশন করার ক্ষেত্রে মোটা অংকের উৎকোচ ছাড়া সে কোন কাজ করে না, বাধ্য হয়ে তাকে উৎকোচ দিয়ে কাজ করাতে হয়।

তারা জানান, সরকারি বরাদ্দকৃত বিভিন্ন খাতের টাকা সে ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে আত্মসাৎ করে বানিয়েছেন কোটি টাকার অট্টালিকা।

এবিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছেন হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও এলাকাবাসী। অভিযুক্ত সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ক্যাশিয়ার মো. উল্লাহ’র মুঠোফোনে জানতে চাইলে বলেন, আপনারা বিস্তারিত বিষয়গুলো যাচাই করুন। এসময় সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে বলেন, যদি আমার বিরুদ্ধে কোন মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেন তাহলে আমি আপনাদের বিরুদ্ধে মামলা করবো।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন তিথি জানান, এ সকল বিষয়গুলো সর্ম্পকে আমি অবগত নই। তাছাড়া আমি এখানে নতুন এসেছি। যদি ওনার ব্যাপারে কেউ কোন কমপ্লেইন করতো তাহলে হয়তবা বিভাগীয় ভাবে ব্যবস্থা নেয়া যেতো।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..