শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ অনুর্ধ-১৫ জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ’র প্রধান উপদেষ্টা- গোলাম ফারুক খোকন রূপগঞ্জে দেবরের হামলায় ভাবী নিহত, গ্রেফতার-৩ জাতীয় পরিচয় পত্র এনআইডির জন্ম তারিখ সংশোধন মাঠপর্যায়েই হবে  সোনারগাঁয়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত ৩ রেস্তোরাঁ’কে ৬ লাখ টাকা জরিমানা ফুলবাড়ীতে এনসিপি‘র নেতার বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীর জমি দখলের অভিযোগ বন্দরে পুলিশের অভিযান: ১২০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার- ১, পরোয়ানায়-৬ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় চা-বাগান মালিক সমিতির আয়োজনে প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময় সভা  তেঁতুলিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের প্রধান মোহরারের বদলিজনিত বিদায়  সেতুর নির্মাণে জটিলতা, হোল্ডিং ট্যাক্সে বৈষম্যের দাবিতে বউফো’র স্মারকলিপি পরীক্ষার খাতা আর লেখা হলো না: সড়ক দুর্ঘটনায় আহত এসএসসি পরীক্ষার্থী নাহিদউল্লাহর চিরবিদায়

৩টি ওয়াশব্লকের বরাদ্দ ৪২ লক্ষ টাকা বিল তুলে ঠিকাদার লাপাত্তা

মাহাবুব আলম / ৬১২ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২৯ অপরাহ্ন

রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি:নিয়ম যেখানে কাজ শেষ করে বিল উত্তোলন করার। সেখানে কাজ শেষ না করেই বিল তুলে নিয়ে লাপাত্তা হয়েছেন এক ঠিকাদার। ঘটনাটি ঘটেেছে ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরে। 

জানাযায়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরে আওতায় একটি প্যাকেজে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়াশব্লক নির্মাণের টেন্ডার আহবান করা হয়। সে অনুযায়ী মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক ঠিকাদার ৫ বছর আগে কাজ শুরু করে ৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ প্রাপ্তির ৮-১০ মাসের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু কাজ শেষ না করেই সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদার বিল তুলে লাপাত্তা হয়ে যায়।

পরে রয়েছে ট্রেন্ডার হওয়া উপজেলার ৩টি প্রতিষ্ঠান কাতিহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঁশনাহার গুচ্ছ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

অফিস সূত্রে জানা যায়, ৩টি ওয়াশব্লকের মোট বরাদ্দ ৪২ লক্ষ টাকা। বিদ্যালয়গুলোতে গিয়ে দেখা গেছে, ঠিকাদার সামান্যতম কাজ করে লাপাত্তা হয়ে গেছে। দূর্ভোগে পড়েছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

এ ব্যাপারে বাঁশনাহার গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইকবাল হোসেন বলেন, কার কথা কে শোনে শিক্ষা অফিস ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসে ধর্না দিয়েও কাজ হচ্ছেনা। ঠিকাদার কে তাও জানিনা।

এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারি প্রকোশলী রোকনুজ্জামান ওয়াশব্লকের তথ্য দিতে গড়িমসি করে বলেন, আমি সদ্য ৩মাস আগে যোগদান করেছি। এ টেন্ডারের তেমন কোন তথ্য আমার কাছে নেই, আমি সপ্তাহে ২দিন এখানে অফিস করি। এটা জেলা নির্বাহি প্রকৌশলীর কাছে আছে। 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমি ঠিকাদারকে খুজে পাচ্ছিনা, আর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীকে বলেও কাজ হচ্ছেনা। যা আমি মাসিক সমন্বয় সভায় একাধিকবার বলেছি।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..