শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রূপগঞ্জে জেনারেল (অব:) জিয়াউল আহসান ও তার স্ত্রীর নামীয় জলসিড়িতে ৮ তলা বাড়ির ফ্ল্যাট সিলগালা রূপগঞ্জ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ইলেকট্রনিক পণ্য বিক্রির ধুম ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ইমদাদুল্লাহ হাশেমীর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু ভারসাম্যহীন নারী সাথী ঝুলান্ত লাশ উদ্ধার বন্দর থানা ২ নারীসহ ৭ জন গ্রেফতার ঝরে গেল আরেকটি সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিনের ইন্তেকাল বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও বন্দর উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশ্বনবী (সঃ) ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল

৩টি ওয়াশব্লকের বরাদ্দ ৪২ লক্ষ টাকা বিল তুলে ঠিকাদার লাপাত্তা

মাহাবুব আলম / ১১৬ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:২৯ অপরাহ্ন

রাণীশংকৈল(ঠাকুরগাঁও)প্রতিনিধি:নিয়ম যেখানে কাজ শেষ করে বিল উত্তোলন করার। সেখানে কাজ শেষ না করেই বিল তুলে নিয়ে লাপাত্তা হয়েছেন এক ঠিকাদার। ঘটনাটি ঘটেেছে ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈলে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরে। 

জানাযায়, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তরে আওতায় একটি প্যাকেজে ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ওয়াশব্লক নির্মাণের টেন্ডার আহবান করা হয়। সে অনুযায়ী মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক ঠিকাদার ৫ বছর আগে কাজ শুরু করে ৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ প্রাপ্তির ৮-১০ মাসের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা। কিন্তু কাজ শেষ না করেই সংশ্লিষ্ঠ ঠিকাদার বিল তুলে লাপাত্তা হয়ে যায়।

পরে রয়েছে ট্রেন্ডার হওয়া উপজেলার ৩টি প্রতিষ্ঠান কাতিহার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঁশনাহার গুচ্ছ গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

অফিস সূত্রে জানা যায়, ৩টি ওয়াশব্লকের মোট বরাদ্দ ৪২ লক্ষ টাকা। বিদ্যালয়গুলোতে গিয়ে দেখা গেছে, ঠিকাদার সামান্যতম কাজ করে লাপাত্তা হয়ে গেছে। দূর্ভোগে পড়েছে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।

এ ব্যাপারে বাঁশনাহার গুচ্ছগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইকবাল হোসেন বলেন, কার কথা কে শোনে শিক্ষা অফিস ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিসে ধর্না দিয়েও কাজ হচ্ছেনা। ঠিকাদার কে তাও জানিনা।

এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সহকারি প্রকোশলী রোকনুজ্জামান ওয়াশব্লকের তথ্য দিতে গড়িমসি করে বলেন, আমি সদ্য ৩মাস আগে যোগদান করেছি। এ টেন্ডারের তেমন কোন তথ্য আমার কাছে নেই, আমি সপ্তাহে ২দিন এখানে অফিস করি। এটা জেলা নির্বাহি প্রকৌশলীর কাছে আছে। 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, আমি ঠিকাদারকে খুজে পাচ্ছিনা, আর জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীকে বলেও কাজ হচ্ছেনা। যা আমি মাসিক সমন্বয় সভায় একাধিকবার বলেছি।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..