নূর এ আজাদ:বন্দর উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে ৮ ফেব্রুয়ারী রবিবার সকাল ১০ টা থেকে উপজেলা কৃষি অফিসের হল রুমে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল এ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ এ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রোগ্রামের আওতায় ৩ (তিন) দিনব্যাপি উত্তম কৃষিচর্চা (গ্যাপ) বিষয়ক কৃষক-কৃষাণী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে বন্দর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার ৩০ জন কৃষক-কৃষাণীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষনে মানব স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক বিবেচনায় নিরাপদ খাদ্য ক্রমাগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জনগনকে খাদ্য জনিত অসুস্থতা থেকে রক্ষার পাশাপাশি বিশ্ব রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতার কারণে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন জরুরী। একটা কথা মাথায় রাখতে হবে, আপনার জমিটি কেমন, তার মাটি কেমন, যে পানি দিচ্ছি সেটা কেমন। ফল ও সবজির জমি ভালো হলে, মাটি ভালো হলে, পানি ভালো বা বিশুদ্ধ হলে, যে ফসলই ফলান না কেন তা অবশ্যই ভালো হবে। এসব বিষয় গুলো ভালো ভাবে খেয়াল রাখতে হবে। যদি আমরা নিরাপদ ফসল ফলাতে চাই, অবশ্যই এ সকল বিষয় গুলো ভালো করে খেয়াল রাখতে হবে। নিরাপদ ও পুষ্টিমানসম্পন্ন ফসল ফলাতে হবে। তাছাড়া পরিমাণ মতো কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। কীটনাশক বেশি দিলেও ক্ষতি, আবার কম দিলেও কাজ হবে না। কীটনাশক ব্যবহারের সময় অবশ্যই আমাদের নিজেদের সুরক্ষার জন্য (পিপিই) ব্যবহার করতে হবে। কীটনাশক ব্যবহার শেষে খালি বোতল বা পেকেট অবশ্যই মাটির নিচে পুতে রাখতে হবে। নিরাপদ খাদ্যপণ্য প্রাপ্যতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে উৎপাদনের শুরু থেকে সংগ্রহ ও সংগ্রহোত্তর প্রক্রিয়াকরণ পর্যন্ত পরিবেশ এবং সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে। তাহলে আমরাও নিরাপদ খাদ্য পাব এবং বাজারজাত করে অন্যকেও খাওয়াতে পারব।
বন্দর উপজেলা কৃষি অফিসার তাসলিমা আক্তার’র সভাপতিত্বে ও বন্দর কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার হুমায়রা মহসিনা’র সঞ্চালনায় তিন ব্যাচ প্রশিক্ষণের প্রথমদিনে প্রশিক্ষক এবং প্রধান অতিথি ছিলেন, প্রকল্পের সিনিয়র মনিটরিং কৃষিবিদ জগলুল হায়দার।
আরো প্রশিক্ষণ প্রদান করেন, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার বন্দর, নূর এ কাউসার।
প্রশিক্ষণার্থী সবাইকে একটি করে কৃষি প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল, ব্যাগ, নোট বুক, কলম ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...