শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জেলা গোয়েন্দার ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার আটক- ১  জাম পারতে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে যুবকের মৃত্যু তেঁতুলিয়ায় উফশী রোপা আমন প্রণোদনা কৃষকের মাঝে বীজ ও সার বিতরণ রূপগঞ্জে নিজ অর্থায়নে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করলেন- শফিউল্লাহ মিলন কুড়িগ্রামে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ আটক, গণপিটুনি কুড়িগ্রামে ৩ লাখ ৩৩ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে  আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতাকর্মীদের ৩য় শীতলক্ষ্যা সেতুর সামনে অবস্থান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান’র ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও তোবারক বিতরণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান’র ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও তোবারক বিতরণ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান’র ৪৫ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও তবারক বিতরণ

ফতুল্লায় টাকা লুটের জন্য ব‍্যবসায়ীকে হত্যা

গ্রামীন কণ্ঠ ডেস্ক / ১০২ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

সোলায়মান খান রাব্বি, বিশেষ সংবাদ দাতা: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় হোসিয়ারি ব্যবসায়ী মো. হারুন খালাসী (৪৬) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় সাবেক নারী কর্মচারী মীম ও তার সহযোগী রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিহত হারুন টঙ্গীবাড়ী উপজেলার হাসাইল বানারী ইউনিয়নের নগর জোয়ার গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, নিহত হারুন খালাসী দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লা খান সাহেব আলী ওসমানী স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় হোসিয়ারি ব্যবসা পরিচালনা করতেন। ঈদকে সামনে রেখে গত ২৬ মে শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার জন্য কারখানায় নগদ টাকা রাখেন তিনি। নগদ টাকা লুটের জন্য এই হত্যা করেন মিম ও তার সহযোগী।

পরে পরিবারের সদস্যরা তার মোবাইল ফোন থেকে সন্দেহজনক বার্তা পেয়ে কারখানায় গিয়ে অফিস কক্ষ তালাবদ্ধ দেখতে পান। দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে হারুন খালাসীকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা দেখেন। তারপর তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রেখা বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেপ্তারকৃত মীম ও রানা পূর্বে ওই কারখানায় কাজ করতেন। ব্যাক্তিগত ক্ষোভ ও পূর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা হারুন খালাসীকে চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে। পরে হোসিয়ারি কাপড় বাঁধার গার্ডার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হয়।

পুলিশের দাবি, হত্যার পর শ্রমিকদের বেতনের জন্য রাখা ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে কারখানার দরজায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পরে অভিযানে লামাপাড়া এলাকা থেকে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেখানো মতে নিহতের ব্যবহৃত তিনটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও নগদ ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুব আলমের নেতৃত্বে এবং এসআই মো. জহিরুল ইসলামের তদন্তে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়। আদালতে সোপর্দ করলে আসামিরা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর‌ই মধ্যে তদন্ত উদঘাটনকে নিয়ে ভুল ও মামলা ভিন্ন দিকে মোর ঘুরাতে কুপ্রস্তাব এর জন্য খুন হয়েছে বলে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন আসামী পক্ষের লোকজন। এবিষয়ে সত‍্যতা যাচাইয়ে কাজ করে যাচ্ছে জেলা পুলিশ ।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..