বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দরে স্বামীর হাতে স্ত্রী খুনের অভিযোগ লামায় সাংবাদিক ইউনিটির দায়িত্বে ফের সুজন ও এমদাদুল হক, রমিজ এবার এশিয়ান জিমন্যাস্টিকসের মঞ্চে লামায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুলের ৭ জিমন্যাস্ট রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসায়ীদের বাড়িতে পুলিশের অভিযানের ঘটনায় বৃদ্ধার জ্ঞান ফিরেনি মুছাপুর ইউনিয়ন ১ নং ওয়ার্ড মেম্বার পদে দোয়া ও সমর্থন প্রার্থী- মো. শাহ আলম ‎ মদনগঞ্জে বিশ্বকাপ উন্মাদনা, ঢেউ লেগেছে বিভিন্ন দলের জার্সি-পতাকায় “ঝরে গেল আরেকটি সূর্য সন্তান- মুরাদনগরের আবুল হোসেন পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য দেশ গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর- পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী কুড়িগ্রামে কাঁঠাল পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু সীমান্তে পুই ইন-পুশ ব্যাক নাটকীয়তার পর  জয়নাবকে ফেরৎ নিলো বিজিবি

ফতুল্লায় টাকা লুটের জন্য ব‍্যবসায়ীকে হত্যা

গ্রামীন কণ্ঠ ডেস্ক / ৮৪ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন

সোলায়মান খান রাব্বি, বিশেষ সংবাদ দাতা: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় হোসিয়ারি ব্যবসায়ী মো. হারুন খালাসী (৪৬) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় সাবেক নারী কর্মচারী মীম ও তার সহযোগী রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিহত হারুন টঙ্গীবাড়ী উপজেলার হাসাইল বানারী ইউনিয়নের নগর জোয়ার গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ জানায়, নিহত হারুন খালাসী দীর্ঘদিন ধরে ফতুল্লা খান সাহেব আলী ওসমানী স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় হোসিয়ারি ব্যবসা পরিচালনা করতেন। ঈদকে সামনে রেখে গত ২৬ মে শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার জন্য কারখানায় নগদ টাকা রাখেন তিনি। নগদ টাকা লুটের জন্য এই হত্যা করেন মিম ও তার সহযোগী।

পরে পরিবারের সদস্যরা তার মোবাইল ফোন থেকে সন্দেহজনক বার্তা পেয়ে কারখানায় গিয়ে অফিস কক্ষ তালাবদ্ধ দেখতে পান। দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে হারুন খালাসীকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা দেখেন। তারপর তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রেখা বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, গ্রেপ্তারকৃত মীম ও রানা পূর্বে ওই কারখানায় কাজ করতেন। ব্যাক্তিগত ক্ষোভ ও পূর্ব পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা হারুন খালাসীকে চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে। পরে হোসিয়ারি কাপড় বাঁধার গার্ডার দিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করা হয়।

পুলিশের দাবি, হত্যার পর শ্রমিকদের বেতনের জন্য রাখা ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিয়ে কারখানার দরজায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে যায় তারা। পরে অভিযানে লামাপাড়া এলাকা থেকে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেখানো মতে নিহতের ব্যবহৃত তিনটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন ও নগদ ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুব আলমের নেতৃত্বে এবং এসআই মো. জহিরুল ইসলামের তদন্তে এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়। আদালতে সোপর্দ করলে আসামিরা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদান করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর‌ই মধ্যে তদন্ত উদঘাটনকে নিয়ে ভুল ও মামলা ভিন্ন দিকে মোর ঘুরাতে কুপ্রস্তাব এর জন্য খুন হয়েছে বলে ভুল তথ্য ছড়াচ্ছেন আসামী পক্ষের লোকজন। এবিষয়ে সত‍্যতা যাচাইয়ে কাজ করে যাচ্ছে জেলা পুলিশ ।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..