রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মদনগঞ্জ দারুস সালাম মডেল মাদ্রাসা’র অভিভাবক সমাবেশ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণ  পূর্ব শত্রুতার জেরে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন  বন্দরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক লাইন মাটির নিচে স্থাপনের দাবিতে মানববন্ধন  বন্দর থানা সাংবাদিক ক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন রূপগঞ্জে স্বেচ্ছাসেবক দলের শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ  রূপগঞ্জে জিন তাড়ানোর নামে শিক্ষার্থীদের নির্যাতন বন্দরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা  লামায় দুর্গম পাহাড়ের তামান্না এখন দেশসেরা এসিল্যান্ড বান্দরবানে টানা বৃষ্টিতে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা রূপগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালন, র‌্যালি, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি 

শখের বসে বিদেশি পাখি পালন করতে গিয়ে এখন খামারী রাণীশংকৈলের মোশাররফ

মাহাবুব আলম / ৪৩২ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:০৭ অপরাহ্ন

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ পাখির কিচির মিচির শব্দ শুনতে কার না ভালো লাগে। তবে সেটা যদি হয় নানা প্রজাতির বাহারি রঙের বিদেশি পাখি। তাহলে তো কোনো কথাই নেই। এমনি ভাবে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের সোহদর গ্রামের তাহেরুল ইসলামের (তহরুম মেম্বার) ছেলে বেকার যুবক মোশাররফ শখের বশে পাখি কিনে পালন শুরু করেন। তবে শখ থেকে তিনি এখন বাণিজ্যিকভাবে পাখি পালন ও বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

অনন্য উদ্যোগ ও পরিশ্রমের মাধ্যমে পাখি পালন করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তরুণ উদ্যোক্তা মোশাররফ হোসেন। শখের বশে শুরু করা পাখি পালনের কাজ এখন তাকে এনে দিয়েছে পরিচিতি। 

মোশাররফ হোসেনের বাড়ির আঙিনায় এখন রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির দেশি-বিদেশি পাখি। নিয়মিত যত্ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সঠিক পরিচ্ছন্নতার ও খাবারের মাধ্যমে তিনি অল্প সময়ের মধ্যেই পাখি পালনকে সফলভাবে এগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন। তার সংগ্রহে আছে, শানকুনুর, পাইনআপেল, কুনূর, সোনালী ময়না বিভিন্ন ধরনের কোকাটেল, লাভ বার্ডসহ আরও বেশ কয়েক প্রজাতির পাখি, এছাড়াও তার খামারে রয়েছে আমেরিকান লাতামেক্স কুকুর ও পার্ফিয়ান বিড়াল সেগুলো দেখতে প্রতিদিনই অনেক মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন তার বাড়িতে। 

স্থানীয়দের মতে, পাখি পালন নিয়ে মোশাররফের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা সত্যিই প্রশংসনীয়। তার এই সাফল্য অনেক তরুণকে অনুপ্রাণিত করছে খামার ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে যেতে। 

মোশাররফ হোসেন জানান, আমি গত ৫ বছর ধরে এ খামার করে আসছি। ভবিষ্যতে আরও বড় করে পাখির খামার করার পরিকল্পনা রয়েছে।সরকারিভাবে সহযোগিতা পেলে তিনি এলাকার বেকার যুবকদেরও এ কাজে যুক্ত করতে চান।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রুপম চন্দ্র মহন্ত বলেন, পাখির রোগ-বালাই নেই বললেই চলে। কম সময় ও খুব কম খরচে এসব পাখি লালন-পালন করা যায় এবং লাভজনক একটা পেশা বলা যেতে পারে। এ বিষয়ে আমাদের দাপ্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..