রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯ মাসে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশে শীর্ষে বাংলাদেশিরা সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানের বিশাল জনসভা ও সংবর্ধনা পুঠিয়ার প্রাণকেন্দ্রের সরকারি জমি উদ্ধারের দাবি, পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের আহ্বান ৫ নং ঘাট বিসর্জনস্থল পরিদর্শন করলেন ডিসি, সিটি প্রশাসক ও এসপি- নির্বিঘ্ন বিসর্জনে ব্যাপক প্রস্তুতি রূপগঞ্জে জালিয়াতি ও ভুয়া দলিলে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি মদনগঞ্জ দারুস সালাম মডেল মাদ্রাসার ফলাফল প্রকাশ কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণী  রূপগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ব্লাড ফাউন্ডেশনের গাছের চারা বিতরণ অসহায় প্রতিবন্ধী মানুষের ভরসা আনন্দ কুমার গুপ্ত আলোচিত মাকসুদা বেগম হত্যা মামলায় গ্রেফতার-২ শিক্ষিকাকে লাঞ্ছিতর প্রতিবাদে ও হামলাকারীকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

হারিয়ে যাওয়া ২২টি মোবাইল নগদ টাকা ফেরত পেলেন মালিকেরা

মো. তুহিন মোল্লা / ২৭৭ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫, ১১:৫২ অপরাহ্ন

নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলে বিভিন্ন এলাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া ২২টি মোবাইল ফোন ও অনলাইন প্রতারণার মাধ্যমে খোয়া যাওয়া ১৮ হাজার টাকা উদ্ধার করে মালিকদের ফিরিয়ে দিয়েছেন জেলা পুলিশ।

নড়াইলের চারটি থানায় সাধারন ডায়রির প্রেক্ষিতে জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল বিভিন্ন মডেলের ২২টি হারানো মোবাইল ফোন ও বিভিন্নভাবে অনলাইন প্রতারণার মাধ্যমে খোয়া যাওয়া ১৮হাজার টাকা উদ্ধার করে।

মঙ্গলবার (১৩ মে) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও অনলাইন প্রতারণার মাধ্যমে খোয়া যাওয়া টাকা প্রকৃত মালিকদের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। হারানো মোবাইল ফোন ও টাকা ফেরত পেয়ে মালিকেরা আনন্দে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন।

পুলিশ জানায়, জেলা সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের এসআই মো. জয়নুল আবেদীন, এসআই গৌতম কুমার পাল ও এসআই আলী হোসেনসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে নড়াইল জেলার চারটি থানা এলাকায় হারিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন ও অনলাইন প্রতারণার মাধ্যমে খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার করেন। হারানো জিডির প্রেক্ষিতে এপ্রিল মাসে ২২টি হারানো মোবাইল ফোন ও বিভিন্নভাবে অনলাইন প্রতারণার মাধ্যমে খোয়া যাওয়া ১৮ হাজার টাকা উদ্ধার করেন।

মোবাইল ও টাকা ফেরত পেয়ে ভুক্তভোগীরা বলেন, ‘তারা এগুলো পাওয়ার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। পুলিশ তাদের মোবাইল ও টাকা উদ্ধার করে আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। পুলিশ সুপার মহোদয় ও সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলে কর্মরত সদস্যদের আন্তরিকতার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. আশরাফুল ইসলাম, জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ্ দারা খান, সিসিআইসি সহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলে কর্মরত পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..