রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯ মাসে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশে শীর্ষে বাংলাদেশিরা সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানের বিশাল জনসভা ও সংবর্ধনা পুঠিয়ার প্রাণকেন্দ্রের সরকারি জমি উদ্ধারের দাবি, পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের আহ্বান ৫ নং ঘাট বিসর্জনস্থল পরিদর্শন করলেন ডিসি, সিটি প্রশাসক ও এসপি- নির্বিঘ্ন বিসর্জনে ব্যাপক প্রস্তুতি রূপগঞ্জে জালিয়াতি ও ভুয়া দলিলে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি মদনগঞ্জ দারুস সালাম মডেল মাদ্রাসার ফলাফল প্রকাশ কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণী  রূপগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ব্লাড ফাউন্ডেশনের গাছের চারা বিতরণ অসহায় প্রতিবন্ধী মানুষের ভরসা আনন্দ কুমার গুপ্ত আলোচিত মাকসুদা বেগম হত্যা মামলায় গ্রেফতার-২ শিক্ষিকাকে লাঞ্ছিতর প্রতিবাদে ও হামলাকারীকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

এতিম নাতির অর্থ সম্পদ আত্মসাৎ করলেন দাদু মোসলেম 

বিএফ খান সবুজ / ৯৩০ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫, ০২:৪৩ অপরাহ্ন

বাকেরগঞ্জ প্রতিনিধি: দুশ্চরিত্রবান মোসলেম আলী শিকদারের লালসা এবং অর্থ লোভের শিকার হন তাহার ছোট পুত্রের হতভাগা বিধবা বধূ শারমিন ইভা ও হতভাগা মায়ের শিশুপুত্র সন্তান আসাদুজ্জামান মুনিম তাহার একমাত্র নাতি।

ঘটনাটি ঘটেছে বাকেরগঞ্জ পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের পশ্চিম রুনসী এলাকায়।

ঘরে হওয়া এবং সম্পত্তি মুগ্ধ হলেন ঘটনাকে কেন্দ্র করে এ ব্যাপারে শিশু মুনিমের মা বাকেরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

বাদীনির ভাষ্যমতে অভিযুক্ত মোসলেম আলী শিকদার একজন লোভী প্রকৃতির মানুষ। একমাত্র শশুরের চরিত্র এবং তাহার কার্যক্রমের বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বাদীনি সারমিন ইভা।

বাকেরগঞ্জ উপজেলাধীন পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা মোসলেম আলী শিকদারের ছোট পুত্র মনিরুজ্জামান শিকদার এর অকাল মৃত্যুতে তাহার রেখে যাওয়া অবশিষ্ট বাড়ি সম্পদ অর্থকরী সহ স্ত্রী শারমিন ইভা ও এক মাত্র সন্তান আসাদুজ্জামান মুনিম কে রেখে গেছেন।

হতভাগা নারী তাহার সংসার জীবনের শুরু থেকেই স্বামীর দুরারোগ্য ক্যান্সার এবং নানাবিধ রোগের জীবাণু ধরা পড়ে। স্বামীর মৃত্যু নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত শয্যাশায়ী হয়ে স্ত্রী জীবন যাপন করতে থাকেন তবুও অসুস্থ শয্যাশায়ী স্বামীকে রেখে কোথাও যাননি।

স্বামীর মৃত্যুর পরে একমাত্র সন্তান নিয়ে কোন রকমে মানবতার জীবনযাপন করেন স্ত্রী শারমিন ইভা।

এ ব্যাপারে বাদীনি আরো বলেন, আমার স্বামীর মৃত্যুর পরে আমার শশুরের রক্তচক্ষু লোভ লালসার শিকার হয়েছেন শিশু পুত্র সহ আমি। সামাজিকভাবে একাধিকবার বিচার চাইলেও আমি কোন ন্যায্য বিচার পাইনি।

সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য মনিরের স্ত্রী যে কোন চাকরির সন্ধান করতে থাকেন। এক সময় একটি চাকরি খুঁজেও পেয়ে যান। এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করে মোসলেম আলী শিকদার ছোট পুত্র মনির শিকদারের রেখে যাওয়া ঘরের মালামাল এবং বাড়ি ঘর অবৈধ দখলে নেন। শশুরের লোভের বলি হয়ে হারাতে হয় সংসারের সকল পরিপাটি করা জিনিসপত্র এবং বাড়িঘর।

স্থানীয় সূত্রে খবর পেয়ে চাকরির কর্মস্থল থেকে ছুটে আসেন বাকেরগঞ্জ পৌরসভার নিজ বাড়িতে, এসে দেখেন লঙ্কাকাণ্ড ।

বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জের নিকট ঘটনার বিষয় জানতে চাইলে এ ব্যাপারে ঘটনাটির প্রাথমিক সততা পাওয়া গেছে বলে স্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে বাদীনি তাহার ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রশাসন এবং গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..