রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধিঃ শিশু সুরক্ষা, নারীর সহিংসতা, বাল্যবিয়েসহ নানা বিষয় নিয়ে প্রশাসন ও সাংবাদিকদের সঙ্গে একশন এইডের রূপগঞ্জ শাখার কর্মকর্তারা মতবিনিময় করেছেন। এসময় এসব সমস্যা সমাধানে করণীয় বিষয়ক আলোচনা হয়।
৪ আগষ্ট সোমবার দুপুরে রূপগঞ্জ থানা মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
একশন এইডের চনপাড়া পূর্ণবাসন শাখার মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত কাদির’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. তরিকুল ইসলাম।
এসময় বক্তব্য রাখেন, কালের কণ্ঠের সাংবাদিক রাসেল আহমেদ, জাগো নিউজের নাজমুল হুদা, যমুনা টেলিভিশনের জয়নাল আবেদীন জয়, যায় যায় দিনের নজরুল ইসলাম লিখন, সাংবাদিক মো. নুর আলম, টেন টিভির সাকের মিয়া, হাবিবুর রহমান, একশন এইডের স্পন্সরশীপ অফিসার উৎসব বৈরাগী প্রমুখ।
নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় প্রশাসন, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দিয়েছে আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা অ্যাকশন এইড বাংলাদেশ। সম্প্রতি ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সংস্থাটি এই আহ্বান জানায়।
অনুষ্ঠানে অ্যাকশন এইডের কর্মকর্তারা তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে নারী নির্যাতন রোধে চলমান প্রকল্পগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। তারা বলেন, শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয়, সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকার মাধ্যমেই এই ধরনের সহিংসতা পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত প্রশাসনের কর্মকর্তারা অ্যাকশন এইডের উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং নারী নির্যাতন বন্ধে তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। একইসাথে তারা বলেন, এই সমস্যা মোকাবিলায় সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধ এবং পারিবারিক পর্যায়ে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি।
সাংবাদিকরা তাদের বক্তব্যে বলেন, গণমাধ্যম সবসময়ই এই ধরনের সংবেদনশীল বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। তবে, আরো কার্যকর প্রতিবেদন এবং জনসচেতনতামূলক প্রচারাভিযানের জন্য প্রশাসন ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানো প্রয়োজন। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে এমন সহযোগিতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে অ্যাকশনএইড চনপাড়া পূর্ণবাসন শাখার মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত কাদির বলেন, নারী ও শিশুদের নিরাপদ জীবন নিশ্চিত করতে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। প্রশাসন, গণমাধ্যম এবং সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি সহিংসতামুক্ত সমাজ গড়তে পারে।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...