মনির হোসেন: ১৪ এপ্রিল মঙ্গলবার হয়ে গেলো বাঙালির পহেলা বৈশাখ প্রাণের উৎসব, আমাদের আত্মপরিচয়ের এক উজ্জ্বল প্রতীক। এই দিনে আমরা খুঁজি শেকড়, খুঁজি সংস্কৃতির গভীরতা। বাংলা নববর্ষ বরণের অন্যতম আকর্ষণ পান্তাভাত, ইলিশ, কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজ যা বাঙালির খাদ্যসংস্কৃতির এক অনন্য নিদর্শন। তবে পান্তা-ইলিশের সেই আগের জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। এখন শুরু হয়েছে খুদের ভাত (বৌয়া) নানান প্রকার ভর্তা সাথে ডিম ভাজা। একইসঙ্গে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামীণ পহেলা বৈশাখের সহজ-সরল, প্রাণবন্ত ঐতিহ্যও।
বন্দর ক্লাব লিমিটেড প্রাঙ্গণ যেন এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। সাংস্কৃতিক পর্বে ছিল লোকসংগীত, গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী রংবেরঙের পোশাক । সকল সদস্যদের অংশগ্রহণে এবং তাহাদের স্ত্রী পরিবারদের এক মনোরম ও আনন্দময়ে ভরে ওঠে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে উপস্থিত সকলের মাঝে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার পরিবেশন করা হয়।
সুশৃঙ্খল পরিবেশ এবং চমৎকার আয়োজনের মধ্য দিয়ে এই বৈশাখী উৎসব সমাপ্ত ঘোষণা করেন বন্দর ক্লাব লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জিয়াউল হাসান জিসু।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...