শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রূপগঞ্জে জেনারেল (অব:) জিয়াউল আহসান ও তার স্ত্রীর নামীয় জলসিড়িতে ৮ তলা বাড়ির ফ্ল্যাট সিলগালা রূপগঞ্জ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ইলেকট্রনিক পণ্য বিক্রির ধুম ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ইমদাদুল্লাহ হাশেমীর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু ভারসাম্যহীন নারী সাথী ঝুলান্ত লাশ উদ্ধার বন্দর থানা ২ নারীসহ ৭ জন গ্রেফতার ঝরে গেল আরেকটি সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিনের ইন্তেকাল বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় সভাপতি সম্পাদকের দায়িত্ব গ্রহন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও বন্দর উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বিশ্বনবী (সঃ) ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দোয়া মাহফিল

ঠাকুরগাঁওয়ে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে কোচিং শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

নূর মোহাম্মদ / ২৯৪ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৫, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও হরিপুরে ৫ম শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ এনে সমির উদ্দিন নামে এক কোচিং শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রবিবার (৩আগষ্ট) সকালে হরিপুর থানায় মামলা করা হয়েছে।

সমির উদ্দিন হরিপুর উপজেলার খোলড়া গ্রামের সাজেমানের ছেলে এবং বটতলী বিদ্যাবাড়ী কোচিং সেন্টারের শিক্ষক।

মামলার বিষয়টি হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাকারিয়া মন্ডল সত‍্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন ভিকটিমের বাবা আইনুল হকের অভিযোগে ভিত্তিতে কোচিং শিক্ষক সমির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রবিবার সকালে ৯(৪)(খ) ধারায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রুজু করে ভিকটিমের জবানবন্দির জন‍্য ঠাকুরগাঁও আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ভিকটিমের বাবা আইনুল বলেন, আমার মেয়ে ৫ ম শ্রেণী ছাত্রী। পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের আশায়  হরিপুর উপজেলার বটতলী বিদ্যাবাড়ি কোচিং সেন্টারে ভর্তি করি। ৩১ জুলাই আমার মেয়ে বিকালে বিদ‍্যাবাড়ি কোচিং সেন্টারে গিয়ে তার ক্লাসরুমে বইয়ের ব‍্যাগ রাখতে গেলে কোচিং সেন্টারের শিক্ষক সমির উদ্দিন আমার স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে পিছন থেকে জোরপূর্বক জড়িয়ে ধরে শরীরের বিভিন্ন স্পর্শ জায়গায় হাত দেয়। এসময় আমার মেয়ে চিৎকার করতে চাইলে তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক পড়নের পায়জামা খুলে ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়।  বিষয়টি জানাজানির ভয়ে কোচিং শিক্ষক তাকে ছেড়ে দেয় এবং বিষয়টি কাউকে না বলার জন‍্য আমার মেয়েকে হুমকি দেয়। পরেরদিন (১আগষ্ট) আমার মেয়ে ঐ কোচিংয়ে যায় নাই। তার পরের দিনও (২আগষ্ট) আবারো কোচিং যেতে অস্বীকার করে। কোচিংয়ে না যাওয়ার কারণ জানতে চাওয়া হলে সে তার ভাবী (আমার বড় ছেলের স্ত্রী) কে ঘটনার কথা সে খুলে বলেন।

ঘটনার বিষয়টি জানাজানি শুরু হলে বিদ্যাবাড়ি কোচিং সেন্টারে শিক্ষক সমির উদ্দিন আমার বাসায় এবং আমার মেয়েকে কোচিং সেন্টারের যেতে বাদ্য করে এবং আমরা আমাদের মেয়েকে কোচিং সেন্টারে যেতে অস্বীকার করলে কোচিং শিক্ষক সমির উদ্দিন বলে আমার বিষয়ে কোন ধরণের ঝামেলা বা আইনগত ব‍্যবস্থা গ্রহণ করলে আমাদেরকে প্রাণে মেরে ফেলবে বলে হুমকি প্রদান করে। পরে আমার পরিবারের লোকজনের তোপের মুখে পড়ে কোচিং শিক্ষক সমির উদ্দিন ঘটনাস্থল থেকে কৌশলে দ্রত পালিয়ে যায়।

পরে ভিকটিমের বাবা আইনুল হক বাদী হয়ে কোচিং সেন্টারের শিক্ষক সমির উদ্দিনের বিরুদ্ধে হরিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

এবিষয়ে বিদ্যাবাড়ী কোচিং সেন্টারের শিক্ষক সমির উদ্দিনের সঙ্গে  যোগাযোগের জন্য তার কোচিং সেন্টারে যাওয়া হয় কিন্তু কোচিং সেন্টার বন্ধ পাওয়া যায়। পরে তার ব‍্যবহৃত 01732992031 মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..