নূর এ আজাদ, ষ্টাফ রিপোর্টার: বন্দর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ২৮ জানুয়ারি বুধবার বন্দর উপজেলা কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হল রুমে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ঢাকা অঞ্চলের কৃষি উন্নয়ণ প্রকল্পের আওতায় দিনব্যাপী কৃষক/কৃষাণী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এবারের প্রশিক্ষণের বিষয় ছিলো “আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ক গুরুত্ব” এতে প্রত্যেক প্রশিক্ষণার্থীকে শুরুতেই একটি কৃষি প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল “আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি”, একটি খাতা ও কলম দেওয়া হয়।
বন্দর উপজেলা কৃষি অফিসার তাসলিমা আক্তার’র সভাপতিত্বে ও বন্দর কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার হুমায়রা মহসিনা’র সঞ্চালনায় উক্ত প্রশিক্ষণশালায় দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক এবং প্রধান অতিথি ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নারায়ণগঞ্জ এর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আ, জা, মু আহসান শহীদ সরকার।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন, আমরা যদি নিজেরা আধুনিকভাবে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঠিকমতো কৃষি উপকরণ পানি, সার, বীজ রোপন করতে পারি, তাহলে আমাদের আর বিদেশমুখী হতে হয় না। বিদেশ থেকে কিছু আমদানি করতে হয় না। আমাদের ফসল এখন দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। আপনারা যদি সঠিক পদ্ধতিতে ভালো ফসল ফলাতে পারেন তাহলে আপনারাও টাটকা শাকসবজি, ফল খেতে পারেন এবং তা বিদেশেও রপ্তানি করতে পারেন। দেশের একজন ভালো উদ্যোক্তা হয়ে সরকারিভাবে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পেতে পারেন। এতে করে যেমন দেশের আয় হবে, আবার ডলার খরচ করে বিদেশ থেকে ফলমূল ইত্যাদি আমদানি করতে হবে না। সাধারণত আধুনিক জাতের ফসল উৎপাদনে কিছু বাড়তি পরিচর্যা ও পরিমিত সার ও বালাই নাশক প্রয়োগের প্রয়োজন হতে পারে। তবে উন্নত পরিচর্যা ও প্রযুক্তি ব্যবহারে ফসলের আরো অধিক ফলন নিশ্চিত করা যায়। প্রয়োজনে আমাদের নিকটস্থ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমাদের অফিসারগণ আপনাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে।
বিশেষ অতিথি ও প্রশিক্ষক ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অতিরিক্ত উপ পরিচালক (উদ্ভিদ সংরক্ষণ) মোহাম্মদ জহিরুল হক, অতিরিক্ত উপ পরিচালক (শষ্য) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন, অতিরিক্ত উপ পরিচালক (উদ্যান) অনন্ত সরকার, অতিরিক্ত কৃষি অফিসার বন্দর নূর এ কাউসার।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...