মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তাহিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় শফিআলম তালুকদার    রূপগঞ্জের দুইশত পরিবার আবারো উচ্ছেদ আতঙ্কে   শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে গিয়ে গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু রূপগঞ্জে বিএসটিআইয়ের অভিযানে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা ফতুল্লায় মাদকসহ সাবেক এমপির গাড়িচালক রাজুকে পুলিশে দিল এলাকাবাসী নান্দনিক ও আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন মেম্বার প্রার্থী – মো. শাহ আলম  মুছাপুর ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী হিসেবে আলোচনায়- মো. শাহ আলম বন্দর সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির আলোচনা সভা ও দোয়া রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী ঐক্য পরিষদের চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ  ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে তেঁতুলিয়ায় দোয়া মাহফিল 

মসজিদভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষকদের স্মারকলিপি

গ্রামীন কণ্ঠ ডেস্ক / ২৩০ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন

জুলহাস উদ্দীন, তেঁতুলিয়া(পঞ্চগড়)প্রতিনিধি:
ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত ‘মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম’ প্রকল্পের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করে সরকারি গ্রেড অনুযায়ী বেতন-ভাতা প্রদানের দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (১৮ মে) পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজ শাহীন খসরু (ইউএনও)’র মাধ্যমে এই স্মারকলিপি পেশ করেন ‘মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ, বাংলাদেশ’ এর নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে শিক্ষকরা উল্লেখ করেন, নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধের উন্নয়নে ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে এই যুগান্তকারী প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে এই প্রকল্পের ৮ম পর্যায় চলমান রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে প্রকল্পটি দেশের শিক্ষা বিস্তার, নৈতিক মূল্যবোধের জাগরণ এবং নিরক্ষরতা দূরীকরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রথম থেকে সপ্তম পর্যায় পর্যন্ত কোটি কোটি শিক্ষার্থীকে এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাক-প্রাথমিক ও ধর্মীয় শিক্ষা প্রদান করা হয়েছে, যা একটি বিরল সাফল্য।

বর্তমানে এই প্রকল্পে দেশব্যাপী প্রায় ৭১,৯৪৯ জন শিক্ষক, শিক্ষিকা ও কর্মচারী নিয়োজিত আছেন। স্মারকলিপিতে শিক্ষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত স্বল্প ভাতা এবং চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অথচ পাঠদানের পাশাপাশি তারা সরকারি তহবিলে যাকাত প্রদানে উদ্বুদ্ধকরণ, মাদক, বাল্যবিয়ে, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টিসহ সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে স্বেচ্ছায় ও বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করে যাচ্ছেন। এত অবদান রাখা সত্ত্বেও তাদের জীবন আজ চরম নিরাপত্তাহীন ও অবমূল্যায়িত।

স্মারকলিপিতে উত্থাপিত দাবিগুলো হলো:
“এই মহৎ প্রকল্পটিকে অতি দ্রুত স্থায়ীভাবে সরকারি রাজস্ব খাতে স্থানান্তর করতে হবে”
“কর্মরত সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা, কেয়ারটেকার ও সংশ্লিষ্ট জনবলকে সরকারি গ্রেড অনুযায়ী নিয়মিত বেতন-ভাতা প্রদান করতে হবে”
“চাকুরির স্থায়িত্ব নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে শিক্ষকদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে”

মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাদের মানবিক জীবনযাত্রার বিষয়টি বিবেচনা করে এবং হাজারো শিক্ষকের পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে দ্রুত একটি সহানুভূতির সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..