সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রূপগঞ্জে মাদকবিরোধী অভিযানে বিদেশি মদ-ইয়াবাসহ গ্রেফতার- ৩ শিশু রামিসা হত্যা প্রতিবাদে বান্দরবানে সচেতন ছাত্র সমাজের মানববন্ধন রামিসা ধর্ষণ ও হত্যার বিচারের দাবিতে বন্দরের মদনগঞ্জে মানববন্ধন ও মৌন মিছিল শালবাহান দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলণ লামায় কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের ৭ ক্রীড়াবিদ পেলেন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি কক্সবাজারে জলবায়ু ও নারী সমস্যা ও সম্ভবনা শীর্ষক মতবিনিময় তাহিরপুর উপজেলাবাসীকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন- আলহাজ্ব মো. খসরুল আলম বান্দরবানে শিশু নিপীড়নের অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার লামায় সিএনজি ধুমড়েমুচড়ে নিহত-১ আহত-৫ সাংবাদিকের কার্যালয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

অভাবের তাড়নায় নবজাতককে নদীতে ফেলার চেষ্টা মায়ের

গ্রামীন কণ্ঠ ডেস্ক / ১৬৭ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন

ষ্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জ জেলা বন্দর থানায় অভাবের তাড়না সইতে না পেরে নিজের জন্ম দেওয়া নবজাতক কন্যা সন্তানকে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এক মা।

২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ডের বক্তারকান্দী এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। তবে স্থানীয়দের তৎপরতায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যায় শিশুটি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বক্তারকান্দী শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে এক নারী প্লাস্টিকের ব্যাগ নদীতে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। পরে ব্যাগটি খুলে ভেতর থেকে জীবিত অবস্থায় এক নবজাতক কন্যা শিশু উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে বন্দর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক আরিফ তালুকদার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার এবং তার মাকে। পুলিশি হেফাজতে নেন। শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

ঘটনার নেপথ্যে জানা যায়, অভিযুক্ত রাহেনা বেগম ও তার স্বামী আব্দুল মালেক দম্পতির সংসারে আগে থেকেই তিনটি সন্তান রয়েছে। আব্দুল মালেক শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও রিকশা চালিয়ে সংসার চালান। গত ১ সপ্তাহ আগে তারা রংপুরের পীরগাছা থেকে এসে বক্তারকান্দী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। বৃহস্পতিবার রাত ২ টায় ওই নবজাতক শিশু কন্যার জন্ম হয়। চরম দারিদ্র্যের কারণে ভরণপোষণের দুশ্চিন্তায় রাহেনা বেগম এমন চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানান।

বন্দর থানা পুলিশ বিষয়টি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়কে অবহিত করলে সমাজসেবা অফিসার মো. ফয়সাল কবীর থানায় উপস্থিত হন। তিনি দম্পতির অভাব ও অসহায়ত্বের কথা শুনেন এবং কাউন্সেলিং শেষে মুচলেকা গ্রহণ করেন। দুপুরে উদ্ধারকৃত নবজাতক শিশুটিকে তার বাবা-মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. ফয়সাল কবীর জানান, মানবিক দিক বিবেচনা করে এবং শিশুটির ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বিশেষ মুচলেকা নিয়ে তাকে বাবা-মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের ওপর নজরদারি রাখা হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..