মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আল্লাহর অসীম দয়ায় রহমতের মৃত্যু বরণ ঝালকাঠি নবগ্রামে জেলা পুলিশের বিট পুলিশিং ও মতবিনিময় সভা বেকার ৩৩ যুবককে বিজিবি’র মাসব্যাপী ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ   কারাবন্দি সাংবাদিকের মুক্তির দাবীতে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের মানববন্ধন  মহসিনের বিরুদ্ধে বাস ষ্টেশন এলাকার সড়ক ও জনপথের জমি দখলের অভিযোগ  বাকেরগঞ্জে FB অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বিএনপি নেত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিরামপুরে জমকালো ভাবে কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার উদ্বোধন বন্দরে ঘারমোড়ায় ময়লার স্তূপ ও মশার কারনে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী রূপগঞ্জে সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের গুলিতে ব্যবসায়ী আহত প্রশাসন ও এমপি’র প্রতি তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে রক্ষার আহ্বান- বাগপাড়াবাসীর

অভাবের তাড়নায় নবজাতককে নদীতে ফেলার চেষ্টা মায়ের

গ্রামীন কণ্ঠ ডেস্ক / ৩৭৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন

ষ্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জ জেলা বন্দর থানায় অভাবের তাড়না সইতে না পেরে নিজের জন্ম দেওয়া নবজাতক কন্যা সন্তানকে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে শীতলক্ষ্যা নদীতে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন এক মা।

২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ৭ টায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২৪ নং ওয়ার্ডের বক্তারকান্দী এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। তবে স্থানীয়দের তৎপরতায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যায় শিশুটি।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বক্তারকান্দী শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে এক নারী প্লাস্টিকের ব্যাগ নদীতে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। পরে ব্যাগটি খুলে ভেতর থেকে জীবিত অবস্থায় এক নবজাতক কন্যা শিশু উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দেওয়া হলে বন্দর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক আরিফ তালুকদার দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিশুটিকে উদ্ধার এবং তার মাকে। পুলিশি হেফাজতে নেন। শিশুটিকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়।

ঘটনার নেপথ্যে জানা যায়, অভিযুক্ত রাহেনা বেগম ও তার স্বামী আব্দুল মালেক দম্পতির সংসারে আগে থেকেই তিনটি সন্তান রয়েছে। আব্দুল মালেক শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও রিকশা চালিয়ে সংসার চালান। গত ১ সপ্তাহ আগে তারা রংপুরের পীরগাছা থেকে এসে বক্তারকান্দী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। বৃহস্পতিবার রাত ২ টায় ওই নবজাতক শিশু কন্যার জন্ম হয়। চরম দারিদ্র্যের কারণে ভরণপোষণের দুশ্চিন্তায় রাহেনা বেগম এমন চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানান।

বন্দর থানা পুলিশ বিষয়টি উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়কে অবহিত করলে সমাজসেবা অফিসার মো. ফয়সাল কবীর থানায় উপস্থিত হন। তিনি দম্পতির অভাব ও অসহায়ত্বের কথা শুনেন এবং কাউন্সেলিং শেষে মুচলেকা গ্রহণ করেন। দুপুরে উদ্ধারকৃত নবজাতক শিশুটিকে তার বাবা-মায়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মো. ফয়সাল কবীর জানান, মানবিক দিক বিবেচনা করে এবং শিশুটির ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বিশেষ মুচলেকা নিয়ে তাকে বাবা-মায়ের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের ওপর নজরদারি রাখা হবে বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..