ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ১৮ জুন বৃহস্পতিবার রাত ৯ টার সময় ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে খাদিজাতুল কুবরা মীম (১৪) নামের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলেছে নিহতের পরিবার।
নিহত খাদিজাতুল কুবরা মীম ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের মুন্সিপাড়া এলাকার আবুল ফজল রাজার মেয়ে এবং স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।
পরিবারের অভিযোগ, বমি ও পেটব্যথাজনিত সমস্যার কারণে মিমকে উক্ত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত এক নারী চিকিৎসক তাকে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করেন। পরে একজন নার্স তাকে একটি ইনজেকশন দেন। ইনজেকশন দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে বলে দাবি করেন মীমের আত্মীয় স্বজনরা।
নিহত বাবা আবুল ফজল রাজা বলেন, আমার মেয়েকে হাসপাতালে আনার পর ডাক্তার ভর্তি দেন। এরপর তাকে একটি ইনজেকশন দেওয়া হয়। ইনজেকশন দেয়ার প্রায় তিন মিনিটের মধ্যেই সে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মারা যায়। আমি এর সুষ্ঠ তদন্ত ও দোষীদের শাস্তি চাই। আমার এ টকটকে মেয়েটা নিমিষেই শেষ হয়ে গেল।
নিহতের স্বজনদের দাবি, ভুল চিকিৎসার কারণেই মীমের মৃত্যু হয়েছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা না বলে এড়িয়ে যান।
তবে জরুরি বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক ডা. রাসেল জানান, রোগীকে বমি ও পেটব্যথার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছিল এবং কিছু পরীক্ষা- নিরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে সেগুলো সম্পন্ন হওয়ার আগেই রোগীর মৃত্যু ঘটে। চিকিৎসাপত্র পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে ভুল চিকিৎসার কোনো বিষয় আমার নজরে আসেনি। বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...