তেঁতুলিয়া পঞ্চগড় প্রতিনিধি:বাংলাবান্ধা সীমান্তে উদ্বোধন করা হয়েছে দেশের সর্বোচ্চতম পতাকা স্ট্যান্ড। আনুষ্ঠানিক ভাবে উড়ানো হয়েছে লাল সবুজের পতাকা। সীমান্তে ১১৭ ফুট উচ্চতায় এখন নিয়মিত উড়বে রক্তে অর্জিত গৌরবের পতাকা।
দেশের উত্তরের সীমান্ত ঠেকেছে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা। আজ বাংলাবান্ধা সাক্ষী হলো অন্যতম এক ইতিহাসের। দেশের সর্বোচ্চ পতাকা স্ট্যান্ডের উদ্বোধন করা হয়েছে বাংলাবান্ধা সীমান্তে। উড়ানো হয়েছে ৩০×১৮ ফুটের বিশাল আয়তনের লাল সবুজের পতাকা। জাতীয় সঙ্গীতের তালে তালে উড়ানো হয় গৌরবের এই পতাকা৷
এ সময় ইতিহাসের সাক্ষী হতে এসেছিলেন প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষ। এমন আয়োজনে খুশি স্থানীয়রা।
এর আগে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর থেকে একটি সুসজ্জিত শোভাযাত্রাসহ পতাকা বহন করে নিয়ে যাওয়া হয়। ফলক উন্মোচন ও বেলুন উড়িয়ে উদ্বোধন করা হয় পতাকা স্ট্যান্ডের। পরে উপজেলা প্রশাসন পতাকা উড়ানোর দায়িত্ব হস্তান্তর করে বিজিবির কাছে। এ সময় ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সকলে।
দেশের পতাকা ও সার্বভৌমত্বে আর আধিপত্যবাদ মেনে নেয়া হবে না বলেও ঘোষণা দেন তারা। ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে দেশের উত্তরের সীমান্তে ১১৭ ফুট উচ্চতায় এখন নিয়মিত উড়বে লাল সবুজের পতাকা।
স্থানীয় স্কুল শিক্ষক ফজলে করিম বলেন, আমার দেশের পতাকা সবচেয়ে উঁচুতে উড়ছে এ পতাকা এরচেয়ে সুন্দর দৃশ্য আর হতে পারে না। আমরা এ ইতিহাসের সাক্ষী হলাম।
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, আগামীর বাংলাদেশে যদি এই স্বাধীন পতাকার দিকে, সার্বভৌমত্বের দিকে, আধিপত্যবাদের দৃষ্টিতে, শোষনের দৃষ্টিতে তাকানোর চেষ্টা করে তাহলে চব্বিশের মতো আবারো আমরা ওই শকুনদেরকে রক্ত দিয়ে হলেও মোকাবেলা করবো। পৃথিবীর যে কোন ব্যক্তি, যে কোন প্রতিষ্ঠান, যে কোন দেশ আমাদের দিকে আধিপত্যবাদের দৃষ্টিতে তাকাতে পারবে না।
পঞ্চগড় ১৮ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা এই গৌরবের পতাকা সমুন্নত রাখতে অঙ্গীকার করছি।
জেলা প্রশাসক সাবেত আলী বলেন, স্থানীয় মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে দেশের সর্বোচ্চ এই পতাকার স্ট্যান্ড নির্মাণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে আমরা নতুন এক ইতিহাসের সাক্ষী হলাম। এই পতাকা আমাদের গৌরবের অহংকারের।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...