রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৯ মাসে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে প্রবেশে শীর্ষে বাংলাদেশিরা সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানের বিশাল জনসভা ও সংবর্ধনা পুঠিয়ার প্রাণকেন্দ্রের সরকারি জমি উদ্ধারের দাবি, পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপনের আহ্বান ৫ নং ঘাট বিসর্জনস্থল পরিদর্শন করলেন ডিসি, সিটি প্রশাসক ও এসপি- নির্বিঘ্ন বিসর্জনে ব্যাপক প্রস্তুতি রূপগঞ্জে জালিয়াতি ও ভুয়া দলিলে জমি দখলের প্রতিবাদে মানবববন্ধন ও স্মারকলিপি মদনগঞ্জ দারুস সালাম মডেল মাদ্রাসার ফলাফল প্রকাশ কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার বিতরণী  রূপগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিনামূল্যে ব্লাড ফাউন্ডেশনের গাছের চারা বিতরণ অসহায় প্রতিবন্ধী মানুষের ভরসা আনন্দ কুমার গুপ্ত আলোচিত মাকসুদা বেগম হত্যা মামলায় গ্রেফতার-২ শিক্ষিকাকে লাঞ্ছিতর প্রতিবাদে ও হামলাকারীকে গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

মহানবী (সা.) কে নিয়ে কটুক্তির অভিযোগে উত্তেজনা, স্থানীয়দের প্রতিবাদ

আবু বকর সিদ্দিক স্বপন / ৩৫০ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫, ০১:২৫ পূর্বাহ্ন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল হাদীস বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে ফেসবুকে কটূক্তি করার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত মোজাম্মেল ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলার তাহের হুদা ইউনিয়নের ধুলিয়া পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা।

সূত্র জানায়, গত সোমবার রাতে মোজাম্মেল হক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নবীজী (সা.) সম্পর্কে অবমাননাকর ও অশালীন মন্তব্য করেন, যা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। এতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

স্থানীয়রা দাবি করেন, এর আগেও তিনি এমন মন্তব্য করেছেন, কিন্তু রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে উত্তেজিত জনতা তাকে আটক করে মারধর করে। পরে হরিণাকুন্ডু থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। যদিও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মধ্যস্থতায় তিনি একটি লিখিত অঙ্গীকারনামা দিয়ে মুক্তি পান। তবু এলাকাবাসী তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বরখাস্ত করার আহ্বান জানাচ্ছেন।

এ বিষয়ে থানার ওসি আব্দুর রউফ বলেন, কয়েকদিন আগে আজহারী সাহেবের একটি বক্তব্য নিয়ে মোজাম্মেল আলোচনা করেছিলেন, এতে করে স্থানীয়রা উত্তেজিত হয়ে কিছু মারধর করেন। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ আইনগত পদক্ষেপ নেবে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আখতার হোসেন বলেন, ঘটনাটি স্থানীয় পর্যায়ে ঘটেছে এবং বিভাগীয়ভাবে বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। যা যা পদক্ষেপ প্রয়োজন, তা গ্রহণ করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..