বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রূপগঞ্জে দাফনের আড়াই বছর পর মালয়েশিয়া প্রবাসীর লাশ উত্তোলন বন্দর উপজেলায় ৩৪০ পরিবারকে ১৭ লাখ টাকার অনুদান ও ঢেউটিন বিতরণ  তাহিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় শফিআলম তালুকদার    রূপগঞ্জের দুইশত পরিবার আবারো উচ্ছেদ আতঙ্কে   শীতলক্ষ্যা নদীতে গোসল করতে গিয়ে গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু রূপগঞ্জে বিএসটিআইয়ের অভিযানে ৩ প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা ফতুল্লায় মাদকসহ সাবেক এমপির গাড়িচালক রাজুকে পুলিশে দিল এলাকাবাসী নান্দনিক ও আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন মেম্বার প্রার্থী – মো. শাহ আলম  মুছাপুর ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী হিসেবে আলোচনায়- মো. শাহ আলম বন্দর সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির আলোচনা সভা ও দোয়া

রূপগঞ্জে দাফনের আড়াই বছর পর মালয়েশিয়া প্রবাসীর লাশ উত্তোলন

গ্রামীন কণ্ঠ ডেস্ক / ২৩ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন

মো. আবু কাওছার মিঠু, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ দাফনের আড়াই বছর পর পূর্বাচল উপ- শহরের বরকাউ গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী ইমন হোসেনের (৪২) লাশ ময়না তদন্তের জন্য ২৯ জুলাই মঙ্গলবার কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফরিদ-আল-সোহানের তত্ত্বাবধানে আনসার, রূপগঞ্জ থানা পুলিশ, ঢাকা জেলার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সদস্য ও এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে পূর্বাচলের কেন্দ্রীয় কবরস্থান থেকে তার লাশ উত্তোলন করা হয়। নিহত ইমন হোসেনের পিতা মজিবুর রহমানের দায়েরকৃত হত্যা মামলার প্রেক্ষিতে ওই প্রবাসীর লাশ উত্তোলন করা হয়। লাশ উত্তোলনের খবরে স্থানীয় উৎসুক জনতা ঘটনাস্থলে ভিড় জমায়।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০৬ সালে পূর্বাচলের বরকাউ গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে ইমন হোসেনের (৪২) সঙ্গে রাজধানীর কেরানীগঞ্জ থানার পূর্ব মুগারচর গ্রামের হযরত আলীর মেয়ে রানু আক্তারের (৩২) বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের সংসারে ছেলে রাহাত মিয়া ও মেয়ে ইসরাত জাহান। গত ৪/৫বছর ধরে তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। এরই মধ্যে ইমন হোসেন মালয়েশিয়ায় চলে যায়।

২০২৪ সালের ১৮ জানুয়ারি ইমন হোসেন মালয়েশিয়া থেকে ফিরে আসে। ১৯ জানুয়ারি ইমন হোসেন পেটের পীড়ায় আক্রান্ত হয়ে মহাখালী কলেরা হাসপাতালে ভর্তি হন। ২০ জানুয়াারি দুপুর আড়াইটায় ইমন হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়না তদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি করে একই দিনে সন্ধ্যায় ইমন হোসেনের লাশ কালনী এলাকার পূর্বাচলের কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এদিকে ২০২৪ সালের ২২ এপ্রিল ইমন হোসেনের পিতা বাদী হয়ে শরবতের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে পান করিয়ে ইমন হোসেনকে হত্যা করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ এনে ঢাকা জেলার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ৩ নং আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ইমন হোসেনের স্ত্রী রানু আক্তার (৩২), শ্বশুর হযরত আলী (৬০), শাশুড়ি পিয়ারা বেগম (৫২) ও শ্যালক ভুলু মিয়াকে (২৮) আসামি করা হয়।

কেরানীগঞ্জ থানার সিআর মামলা নং-৩২৩/২০২৪ ও দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে লাশ উত্তোলনসহ ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মামলাটি তদন্ত করছে।

মামলার বাদী মজিবুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, পারিবারিক কলহের জের ধরে ও ইমন হোসেনের অর্থ-সম্পদ হাতিয়ে নিতে পরিকল্পিত ভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পূর্বাচল রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফরিদ-আল-সোহান বলেন, আদালতের নির্দেশে ইমন হোসেনের লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। ময়না তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..