মো. আবু কাওছার মিঠু, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ নারায়ণগঞ্জ রূপগঞ্জ কায়েতপাড়া ইউনিয়নের পূর্বগ্রাম, চনপাড়া, চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্র, ডাক্তারখালী, বড়ালু, ছাতিয়ান, পাড়াগাঁও, ইছাখালী, কায়েতপাড়া, পশ্চিমগাঁওসহ আশপাশের এলাকার দলমত নির্বিশেষে ৮ সহস্রাধিক গার্মেন্টস কর্মী ও দুঃস্থ মানুষের মধ্যে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও কোরবানির মাংস বিতরণ করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ৮ থেকে ৯ মণ ওজনের ৪০টি গরু ও ২০টি খাসি কোরবানি করা হয়।
২৮ মে বৃহস্পতিবার ঈদুল আজহার দিন এনজেড গ্রুপের চেয়ারম্যান, রূপগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের স্বর্ণপদক প্রাপ্ত সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নুরুজ্জামান খান এসবের আয়োজন করেন। পূর্বগ্রাম স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে ঈদুল আজহার নামাজ শেষে পূর্বগ্রাম খান বাড়ির মাঠে প্যান্ডেল নির্মাণ করে গরু ও খাসি কোরবানি করা হয়।
গার্মেন্টস কর্মী, গরীব আত্মীয়স্বজন, গ্রামবাসী ও দুঃস্থ মানুষের মধ্যে পরিবারের সদস্যের সংখ্যা অনুযায়ী ১কেজি থেকে ৫কেজি করে গরুর মাংস বিতরণ করা হয়। এছাড়া গরুর মাংস গ্রহণে অনিচ্ছুক দুঃস্থদের মধ্যে খাসির মাংস বিতরণ করা হয়।
আর্থিক অস্বচ্ছলতায় এবার কোরবানি দিতে পারেনি। এমন পরিবারকে গত একমাস ধরে বাছাই করে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। রাজধানী ও রূপগঞ্জের বিভিন্ন হাট থেকে এসব গরু-ছাগল কেনা হয়।
গরু-ছাগল জবাই এবং কাঁটার জন্য ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে দুই শতাধিক কসাই আনা হয়। সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ ভাবে বন্টনের জন্য স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও বিএনপির শতাধিক স্থানীয় নেতাকর্মী।
চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রের সত্তরোর্ধ জমিলা খাতুন মাংস পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, কতদিন গরুর মাংস খাইনা। না খেতে খেতে গরুর মাংসের স্বাদ ভুলে গেছি। আজ গরু গোস্ত পেয়ে খুব খুশি হয়েছি। পরিবারের সবাইকে নিয়ে শান্তিমত গোস্ত খাওয়া যাবে।
এনজেড গ্রুপের চেয়ারম্যান, আলহাজ্ব নুরুজ্জামান খান বলেন, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও কোরবানির মাংস দুঃস্থদের মধ্যে বিতরণ করে তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ভবিষ্যতে আরো ব্যাপক ভাবে এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...