শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বন্দরে গৃহবধূ মরিয়মের ঝুলান্ত লাশ উদ্ধার বন্দরে ৫ম শ্রেণী ছাত্রী ধর্ষনের ঘটনায় ধর্ষক আসিফ গ্রেপ্তার বন্দরে বিশ্বনবী (সা:) মাদ্রাসার পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও সংবর্ধনা রূপসায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুর রশিদের গনসংযোগ রূপগঞ্জে ৪২০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার বিতরণ নিখোঁজ সংবাদ বন্দর ক্লাব লিমিটেড পহেলা বৈশাখ উদযাপন তেঁতুলিয়া বাংলাবান্ধায় পাথর-বালি শ্রমিকদের ক্ষোভ, কমিটি বিলুপ্ত, নির্বাচনের দাবি রূপগঞ্জে বাংলা নববর্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান “জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ” রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে বিএমএসএফ বন্দর উপজেলা শাখার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

শখের বসে বিদেশি পাখি পালন করতে গিয়ে এখন খামারী রাণীশংকৈলের মোশাররফ

মাহাবুব আলম / ২৯৭ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:০৭ অপরাহ্ন

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ পাখির কিচির মিচির শব্দ শুনতে কার না ভালো লাগে। তবে সেটা যদি হয় নানা প্রজাতির বাহারি রঙের বিদেশি পাখি। তাহলে তো কোনো কথাই নেই। এমনি ভাবে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের সোহদর গ্রামের তাহেরুল ইসলামের (তহরুম মেম্বার) ছেলে বেকার যুবক মোশাররফ শখের বশে পাখি কিনে পালন শুরু করেন। তবে শখ থেকে তিনি এখন বাণিজ্যিকভাবে পাখি পালন ও বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

অনন্য উদ্যোগ ও পরিশ্রমের মাধ্যমে পাখি পালন করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তরুণ উদ্যোক্তা মোশাররফ হোসেন। শখের বশে শুরু করা পাখি পালনের কাজ এখন তাকে এনে দিয়েছে পরিচিতি। 

মোশাররফ হোসেনের বাড়ির আঙিনায় এখন রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির দেশি-বিদেশি পাখি। নিয়মিত যত্ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সঠিক পরিচ্ছন্নতার ও খাবারের মাধ্যমে তিনি অল্প সময়ের মধ্যেই পাখি পালনকে সফলভাবে এগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন। তার সংগ্রহে আছে, শানকুনুর, পাইনআপেল, কুনূর, সোনালী ময়না বিভিন্ন ধরনের কোকাটেল, লাভ বার্ডসহ আরও বেশ কয়েক প্রজাতির পাখি, এছাড়াও তার খামারে রয়েছে আমেরিকান লাতামেক্স কুকুর ও পার্ফিয়ান বিড়াল সেগুলো দেখতে প্রতিদিনই অনেক মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন তার বাড়িতে। 

স্থানীয়দের মতে, পাখি পালন নিয়ে মোশাররফের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা সত্যিই প্রশংসনীয়। তার এই সাফল্য অনেক তরুণকে অনুপ্রাণিত করছে খামার ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে যেতে। 

মোশাররফ হোসেন জানান, আমি গত ৫ বছর ধরে এ খামার করে আসছি। ভবিষ্যতে আরও বড় করে পাখির খামার করার পরিকল্পনা রয়েছে।সরকারিভাবে সহযোগিতা পেলে তিনি এলাকার বেকার যুবকদেরও এ কাজে যুক্ত করতে চান।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রুপম চন্দ্র মহন্ত বলেন, পাখির রোগ-বালাই নেই বললেই চলে। কম সময় ও খুব কম খরচে এসব পাখি লালন-পালন করা যায় এবং লাভজনক একটা পেশা বলা যেতে পারে। এ বিষয়ে আমাদের দাপ্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..