মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আল্লাহর অসীম দয়ায় রহমতের মৃত্যু বরণ ঝালকাঠি নবগ্রামে জেলা পুলিশের বিট পুলিশিং ও মতবিনিময় সভা বেকার ৩৩ যুবককে বিজিবি’র মাসব্যাপী ইলেকট্রিক্যাল হাউজ ওয়্যারিং প্রশিক্ষণ   কারাবন্দি সাংবাদিকের মুক্তির দাবীতে মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের মানববন্ধন  মহসিনের বিরুদ্ধে বাস ষ্টেশন এলাকার সড়ক ও জনপথের জমি দখলের অভিযোগ  বাকেরগঞ্জে FB অপপ্রচারের বিরুদ্ধে বিএনপি নেত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিরামপুরে জমকালো ভাবে কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরীক্ষার উদ্বোধন বন্দরে ঘারমোড়ায় ময়লার স্তূপ ও মশার কারনে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী রূপগঞ্জে সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের গুলিতে ব্যবসায়ী আহত প্রশাসন ও এমপি’র প্রতি তরুণ প্রজন্মকে মাদক থেকে রক্ষার আহ্বান- বাগপাড়াবাসীর

শখের বসে বিদেশি পাখি পালন করতে গিয়ে এখন খামারী রাণীশংকৈলের মোশাররফ

মাহাবুব আলম / ৪৬৫ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১১:০৭ অপরাহ্ন

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ পাখির কিচির মিচির শব্দ শুনতে কার না ভালো লাগে। তবে সেটা যদি হয় নানা প্রজাতির বাহারি রঙের বিদেশি পাখি। তাহলে তো কোনো কথাই নেই। এমনি ভাবে ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের সোহদর গ্রামের তাহেরুল ইসলামের (তহরুম মেম্বার) ছেলে বেকার যুবক মোশাররফ শখের বশে পাখি কিনে পালন শুরু করেন। তবে শখ থেকে তিনি এখন বাণিজ্যিকভাবে পাখি পালন ও বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

অনন্য উদ্যোগ ও পরিশ্রমের মাধ্যমে পাখি পালন করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তরুণ উদ্যোক্তা মোশাররফ হোসেন। শখের বশে শুরু করা পাখি পালনের কাজ এখন তাকে এনে দিয়েছে পরিচিতি। 

মোশাররফ হোসেনের বাড়ির আঙিনায় এখন রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির দেশি-বিদেশি পাখি। নিয়মিত যত্ন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সঠিক পরিচ্ছন্নতার ও খাবারের মাধ্যমে তিনি অল্প সময়ের মধ্যেই পাখি পালনকে সফলভাবে এগিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছেন। তার সংগ্রহে আছে, শানকুনুর, পাইনআপেল, কুনূর, সোনালী ময়না বিভিন্ন ধরনের কোকাটেল, লাভ বার্ডসহ আরও বেশ কয়েক প্রজাতির পাখি, এছাড়াও তার খামারে রয়েছে আমেরিকান লাতামেক্স কুকুর ও পার্ফিয়ান বিড়াল সেগুলো দেখতে প্রতিদিনই অনেক মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন তার বাড়িতে। 

স্থানীয়দের মতে, পাখি পালন নিয়ে মোশাররফের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতা সত্যিই প্রশংসনীয়। তার এই সাফল্য অনেক তরুণকে অনুপ্রাণিত করছে খামার ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে যেতে। 

মোশাররফ হোসেন জানান, আমি গত ৫ বছর ধরে এ খামার করে আসছি। ভবিষ্যতে আরও বড় করে পাখির খামার করার পরিকল্পনা রয়েছে।সরকারিভাবে সহযোগিতা পেলে তিনি এলাকার বেকার যুবকদেরও এ কাজে যুক্ত করতে চান।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রুপম চন্দ্র মহন্ত বলেন, পাখির রোগ-বালাই নেই বললেই চলে। কম সময় ও খুব কম খরচে এসব পাখি লালন-পালন করা যায় এবং লাভজনক একটা পেশা বলা যেতে পারে। এ বিষয়ে আমাদের দাপ্তরিক সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..