শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ফটো সাংবাদিকদের ‘সাপোর্ট স্টাফ’ হিসেবে শ্রেণিবিন্যাস: নির্বাচন কমিশনের অনভিপ্রেত ও অসম্মানজনক সিদ্ধান্ত কামরুলকে বিজয়ী করতে ভোটের জন্য ঘরে ঘরে যাচ্ছেেন, বিএনপির কর্মী মো.সবুর আলী রূপগঞ্জে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দুই প্রার্থীর রূপগঞ্জে ৯ টি স্পটে বিএনপি প্রার্থীর পথসভা ও গণসংযোগ রূপগঞ্জের চাইল্ড হ্যাভেন ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রূপগঞ্জ বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি প্রার্থী দিপু ভুঁইয়ার উদ্যোগে রূপগঞ্জে ৪ সহস্রাধিক রোগীকে ফ্রী চিকিৎসা সেবা প্রদান দেয়াল ঘড়ি মার্কা প্রার্থী সিরাজুল মামুন’র মুছাপুর ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ আবুল কাওসার আশার মহানগর ২০ নং ওয়ার্ডে উঠান বৈঠক

স্ত্রী ও শাশুড়িকে গলা কেটে হত্যা, অভিযুক্ত বাদল পলাতক

গ্রামীন কণ্ঠ ডেস্ক / ৮৩৭ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ০৬ মে ২০২৫, ০৮:৫৬ অপরাহ্ন

পিরোজপুর প্রতিনিধি: পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া গ্রামে স্ত্রী ও শাশুড়িকে গলা কেটে হত্যা করেছেন এক চা বিক্রেতা।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর অভিযুক্ত মো. ওবায়দুল হক বাদল খান (৪৫) পলাতক রয়েছেন। তবে কী কারণে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারেনি নিহতের স্বজন কিংবা স্থানীয়রা।

৫ মে সোমবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার ধাওয়া গ্রামে নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন-ভান্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া গ্রামের নূর মো. আলীর স্ত্রী ফরিদা বেগম (৬৫) এবং তার মেয়ে চম্পা বেগম (৩২)।

স্থানীয় সূত্র জানায়, অভিযুক্ত ওবায়দুল হক বাদল খান এর আগে ৩টি বিয়ে করেছিলেন। সর্বশেষ গত ১৬ এপ্রিল প্রতিবেশী চাচাতো বোন চম্পাকে বিয়ে করেন তিনি। এরপর থেকেই সে স্ত্রী চম্পা, শাশুড়ি ফরিদা বেগম এবং প্রথম স্ত্রীর ছেলে ইয়াসিনকে (১০) নিয়ে একটি ফাঁকা বাড়িতে বাসবাস করতেন। সোমবার রাত ১১টার দিকে ইয়াছিন ঘর থেকে পালিয়ে এসে এক প্রতিবেশীকে জানায়, তার বাবা সৎ মা চম্পা এবং সৎ নানী অর্থাৎ চম্পার মাকে হত্যা করেছেন। এ খবর বলে ছেলে আত্মগোপনে চলে যায়। পরবর্তীতে চম্পার মামাতো বোন এবং প্রতিবেশী নাছিমা বেগমের ঘরের মধ্যে গিয়ে দুজনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তাদের শরীরে আগুন জ্বলছিল। তখন তিনি টয়লেটের পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে এবং এলাকাবাসী ও পুলিশকে খবর দেন। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এ বিষয়ে কেউই কিছু বলতে পারেনি। হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর থেকে অবুঝ শিশু পুত্র ইয়াসিনকে পাওয়া যাচ্ছে না। অবুঝ সন্তানকে পাওয়া গেলে হয়তো হত্যার কোনো রহস্য পাওয়া যেতে পারে।

এদিকে খবর পেয়ে স্থানীয় থানার পুলিশ, ডিবি  এবং সিআইডি’র একধিক টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছ। অভিযুক্ত ওবায়দুল হক বাদল খান ধাওয়া বাজারে একটি চায়ের দোকান আছে।

ভান্ডারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহমদ আনওয়ার জানায়, পারিবারিক কারণে এ হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণা করা যাচ্ছে। তিনি ২০ দিন আগে ৪র্থ বিবাহ করেন এখানে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..