তাহিরপুর, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল চারটার দিকে ভয়ঙ্কর দৃশ্যের সাক্ষী হলো স্থানীয়রা। একদল দাঙ্গাবাজ দা, রামদা, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে প্রবেশ করে খলিলুর রহমানের বসতবাড়িতে। প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর নির্বিচারে হামলা চালানো হয়। এসময় নারীসহ অন্তত নয়জন গুরুতর আহত হয়েছেন।
প্রাথমিকভাবে আহতদের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। গুরুতর আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। আহতরা শারীরিক ও মানসিকভাবে আতঙ্কে রয়েছেন, তাদের চোখে এখন ভয় আর নিঃশ্বাসে উদ্বেগ।
ঘটনার পর খলিলুর রহমান বাদী হয়ে তাহিরপুর থানায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে আরো ৫/৬ জন অজ্ঞাতনামা গং রেখে, অভিযোগ দায়ের করলে, অভিযোগের পর থেকেই তিনি ও তার পরিবার বিবাদীদের ভয়ভীতি এবং প্রাণনাশের হুমকির কারণে নিজস্ব ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন।
স্থানীয়রা জানান, তাদের বসতঘরে এখন তালা ঝুলছে।
ঘরবাড়ি এখন শুধু বসার বা থাকার স্থান নয়—এটি এক নিঃশব্দের সাক্ষী, তালা ঝুলানো দরজার পেছনে এক আতঙ্কিত পরিবারের গল্প লুকিয়ে আছে।
এ ব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত নুর আলমের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ না করায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।
খলিলুর রহমান বলেন, অভিযোগ করার পর আমাদের জীবন যেন এক নারকীয় অন্ধকারে হারিয়ে গেছে। আমাদের ঘরবাড়ি ও পরিবার নিরাপদ নয়। খুব আতঙ্কের মধ্যে প্রতিটি নিঃশ্বাস নিতে হচ্ছে। তাই আমরা অন্যত্র নিরাপত্তার আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের বিরোধকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে সংঘবদ্ধ হামলা চালানো হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা ও ভয় বিরাজ করছে।
তবে এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই মোহাম্মদ আলী জানান, আমি কর্মস্থলের বাহিরে আছি আজ রাত্রে কর্মস্থলে এসে বিষয়টি দেখছি।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...