রাজশাহী পুঠিয়া প্রতিনিধি: রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলা ও দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তিন ফসলি উর্বর কৃষিজমি কেটে অবাধে পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের দাবি, রাতের আঁধারে এক্সকাভেটর ব্যবহার করে এসব পুকুর খননের কাজ চালানো হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন নষ্ট হচ্ছে আবাদি জমি, অন্যদিকে হুমকির মুখে পড়ছে কৃষি উৎপাদন ও পরিবেশের ভারসাম্য।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রভাবশালী একটি মহল রাজনৈতিক পরিচয় ও ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নামে- বেনামে পুকুর খননের সঙ্গে জড়িত রয়েছে। কিছু ব্যক্তি প্রশাসনের নজর এড়িয়ে দীর্ঘদিন ধরে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। একের পর এক তিন ফসলি জমি কেটে পুকুরে রূপান্তর করা হলেও কেউ এদের কার্যক্রম কোন ভাবে বন্ধ করা যাচ্ছে না। ফলে কৃষি নির্ভর সাধারণ মানুষ চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এলাকায় খাদ্য উৎপাদনে বিরূপ প্রভাব পড়বে।
এ প্রসঙ্গে অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মন্ডল বলেন,
“যারা তিন ফসলি জমি নষ্ট করে পুকুর খননের কাজে জড়িত, তাদের সকলকেই আইনের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে।”
স্থানীয় প্রশাসন জানায়, অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন সময় অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে একাধিক এক্সকাভেটরের ব্যাটারি জব্দসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে রাতের বেলায় কাজ পরিচালিত হওয়ায় কার্যকর নিয়ন্ত্রণে বেগ পেতে হচ্ছে।
এদিকে এলাকাবাসী অবিলম্বে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ, অবৈধ পুকুর খনন বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...