সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফতুল্লায় মাদকসহ সাবেক এমপির গাড়িচালক রাজুকে পুলিশে দিল এলাকাবাসী নান্দনিক ও আধুনিক ওয়ার্ড গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করলেন মেম্বার প্রার্থী – মো. শাহ আলম  মুছাপুর ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী হিসেবে আলোচনায়- মো. শাহ আলম বন্দর সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির আলোচনা সভা ও দোয়া রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী ঐক্য পরিষদের চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বন্যার্তদের মাঝে ত্রান বিতরণ  ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে তেঁতুলিয়ায় দোয়া মাহফিল  বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন বন্দর থানা শাখার কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদন  জমি সংক্রান্ত বিরোধে বন্দর ভূমি কর্মকর্তার সামনেই ৩ জনকে পিটিয়ে আহত মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় বন্দরে পুলিশ সদস্যকে ছুরিকাঘাত রূপগঞ্জে জলাবদ্ধতায় লক্ষাধিক মানুষ ভোগান্তিতে, বেদখল খাল উদ্ধার ও সংস্কারের দাবি

রাণীশংকৈলে দিনমজুরের বাড়িতে কৃষি কাজে ব্যাবহৃত ১৯ টি মেশিন ও সোলার পাম্প 

মাহাবুব আলম / ৫৬৮ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: দূর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন আমার বাড়ির কাজের লোক যখন ৪শ কোটি টাকার মালিক। ঠিক তেমনিই ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা কৃষি অফিসের দিনমুজুরীর কাজে থাকা সেই শামসুল, একটি সোলার পাম্প সহ কৃষি কাজে ব্যবহৃত ১৯ টি মেশিনের মালিক। শূন্য থেকে গড়েছেন অঢেল সম্পদ। 

জানা গেছে, উপজেলার হোসনেগাঁও ইউনিয়নের ভুকুরগাঁও উজধারী গ্রামের আব্দুল রাজ্জাকের ছেলে শামসুল হক, তার বাবার ৩ ছেলে বসতভিটাসহ জায়গা জমি প্রায় ২ বিঘা। সে কৃষি অফিসে প্রায় ৭ বছর ধরে ৫ শত টাকা হিসাবে দিনমজুরের কাজ করে আসছে। কিন্তু এলাকায় তাঁকে অনেকেই চিনে কৃষি অফিসার হিসেবে।

স্থানীয় বাসিন্দা মির্জা মিঠু ও ফরিদা বেগম বলেন, সে কৃষি অফিসে দিনমুজুর হিসেবে কাজ করে অথচ হয়েছেন অঢেল সম্পদের মালিক, তৈরি করেছেন ৩ ভাইয়ের পৃথক ৩ টি পাকা বাড়ি। বাড়িতে রয়েছে একটি সোলার সেচ পাম্পসহ ১৯ টি কৃষি কাজে ব্যবহৃত গাড়ী। ধান রোপন করা মেশিন ১২ টি, সরিষা মাড়াই মেশিন ৩ টি, ধান কাটা মেশিন ৩ টি, কেঁচো সার উৎপাদনের জন্য ১ টি মেশিন রয়েছে। তাছাড়াও বিভিন্ন সময়ে কৃষি অফিসের মাধ্যমে তার ভাই সানোয়ার, আনিসুর ও পরিবারের গৃহীনিদের নামে নিয়ে থাকেন সরকারি প্রনোদনা।

এবিষয়ে শামসুল হকের মা আনজুয়ারা বেগম বলেন, এই মেশিন গুলো কৃষি অফিস থেকে আমার ছেলে নিয়ে এসেছে। আপনার ছেলে কৃষি অফিসে কি করে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সে কৃষি অফিসে চাকুরী করে, তবে কি পদে চাকুরী করে তা আমার জানা নেই। আগের চেয়ে আমরা এখন ভাল আছি বর্তমানে আমাদের এখন ৭ বিঘা আবাদি জমি।

এ প্রসঙ্গে শামসুল হক মুঠোফোনে বলেন, আমি কৃষি অফিসে দিনমজুর হিসাবে কর্মরত আছি। আমার নিজস্ব কোন জায়গা জমি নেই তাই মেশিনগুলো আমার মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় কৃষি কাজের জন্য ভাড়া হিসাবে ব্যবহার করে থাকি। সরকারি প্রণোদনা আপনি কৃষি অফিস থেকে কেমন পান? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার ভাইয়ের নামে একটি বেগুনের প্রকল্প এপ্রিল মাসে নিয়েছিলাম এবার সরিষা ও গম প্রণোদনা চেয়েছি দিবে কিনা জানিনা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম জানান, সে আগে থেকেই এ-অফিসে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতো। তাছাড়া উজধারী মধ্যপাড়া এলাকায় সবজি কৃষক-ফসল নামে একটি গ্রুপ রয়েছে। এজন্য তাঁর বাসায় মেশিন গুলো রাখা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..