শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বন্দরে গৃহবধূ মরিয়মের ঝুলান্ত লাশ উদ্ধার বন্দরে ৫ম শ্রেণী ছাত্রী ধর্ষনের ঘটনায় ধর্ষক আসিফ গ্রেপ্তার বন্দরে বিশ্বনবী (সা:) মাদ্রাসার পরীক্ষার্থীদের জন্য দোয়া ও সংবর্ধনা রূপসায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুর রশিদের গনসংযোগ রূপগঞ্জে ৪২০ কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ, সার বিতরণ নিখোঁজ সংবাদ বন্দর ক্লাব লিমিটেড পহেলা বৈশাখ উদযাপন তেঁতুলিয়া বাংলাবান্ধায় পাথর-বালি শ্রমিকদের ক্ষোভ, কমিটি বিলুপ্ত, নির্বাচনের দাবি রূপগঞ্জে বাংলা নববর্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান “জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ” রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবিতে বিএমএসএফ বন্দর উপজেলা শাখার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান

রাণীশংকৈলে দিনমজুরের বাড়িতে কৃষি কাজে ব্যাবহৃত ১৯ টি মেশিন ও সোলার পাম্প 

মাহাবুব আলম / ৩৫৬ বার পঠিত
প্রকাশিত সময় : মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন

রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: দূর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন আমার বাড়ির কাজের লোক যখন ৪শ কোটি টাকার মালিক। ঠিক তেমনিই ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা কৃষি অফিসের দিনমুজুরীর কাজে থাকা সেই শামসুল, একটি সোলার পাম্প সহ কৃষি কাজে ব্যবহৃত ১৯ টি মেশিনের মালিক। শূন্য থেকে গড়েছেন অঢেল সম্পদ। 

জানা গেছে, উপজেলার হোসনেগাঁও ইউনিয়নের ভুকুরগাঁও উজধারী গ্রামের আব্দুল রাজ্জাকের ছেলে শামসুল হক, তার বাবার ৩ ছেলে বসতভিটাসহ জায়গা জমি প্রায় ২ বিঘা। সে কৃষি অফিসে প্রায় ৭ বছর ধরে ৫ শত টাকা হিসাবে দিনমজুরের কাজ করে আসছে। কিন্তু এলাকায় তাঁকে অনেকেই চিনে কৃষি অফিসার হিসেবে।

স্থানীয় বাসিন্দা মির্জা মিঠু ও ফরিদা বেগম বলেন, সে কৃষি অফিসে দিনমুজুর হিসেবে কাজ করে অথচ হয়েছেন অঢেল সম্পদের মালিক, তৈরি করেছেন ৩ ভাইয়ের পৃথক ৩ টি পাকা বাড়ি। বাড়িতে রয়েছে একটি সোলার সেচ পাম্পসহ ১৯ টি কৃষি কাজে ব্যবহৃত গাড়ী। ধান রোপন করা মেশিন ১২ টি, সরিষা মাড়াই মেশিন ৩ টি, ধান কাটা মেশিন ৩ টি, কেঁচো সার উৎপাদনের জন্য ১ টি মেশিন রয়েছে। তাছাড়াও বিভিন্ন সময়ে কৃষি অফিসের মাধ্যমে তার ভাই সানোয়ার, আনিসুর ও পরিবারের গৃহীনিদের নামে নিয়ে থাকেন সরকারি প্রনোদনা।

এবিষয়ে শামসুল হকের মা আনজুয়ারা বেগম বলেন, এই মেশিন গুলো কৃষি অফিস থেকে আমার ছেলে নিয়ে এসেছে। আপনার ছেলে কৃষি অফিসে কি করে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সে কৃষি অফিসে চাকুরী করে, তবে কি পদে চাকুরী করে তা আমার জানা নেই। আগের চেয়ে আমরা এখন ভাল আছি বর্তমানে আমাদের এখন ৭ বিঘা আবাদি জমি।

এ প্রসঙ্গে শামসুল হক মুঠোফোনে বলেন, আমি কৃষি অফিসে দিনমজুর হিসাবে কর্মরত আছি। আমার নিজস্ব কোন জায়গা জমি নেই তাই মেশিনগুলো আমার মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় কৃষি কাজের জন্য ভাড়া হিসাবে ব্যবহার করে থাকি। সরকারি প্রণোদনা আপনি কৃষি অফিস থেকে কেমন পান? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার ভাইয়ের নামে একটি বেগুনের প্রকল্প এপ্রিল মাসে নিয়েছিলাম এবার সরিষা ও গম প্রণোদনা চেয়েছি দিবে কিনা জানিনা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম জানান, সে আগে থেকেই এ-অফিসে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতো। তাছাড়া উজধারী মধ্যপাড়া এলাকায় সবজি কৃষক-ফসল নামে একটি গ্রুপ রয়েছে। এজন্য তাঁর বাসায় মেশিন গুলো রাখা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...


এ ক্যাটাগরীর আরো খবর..