পুঠিয়া প্রতিনিধি: রাজশাহীর পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলায় সরকারি জলমহল ইজারা, মাছের ব্যবসা ও প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে স্থানীয়ভাবে পরিচিত “মাছ আতিক” নামে এক ব্যবসায়ীকে ঘিরে নানা অভিযোগ।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, বিগত বিভিন্ন সরকারের আমলে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে তিনি সরকারি জলমহল ইজারা ও মাছের ব্যবসায় প্রভাব বিস্তার করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে নতুন প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করেন এবং সেই সুযোগে কোটি টাকার ব্যবসা পরিচালনা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সাবেক সংসদ সদস্যদের আমলে বিভিন্ন সরকারি জলমহল ইজারা ও মাছ চাষের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এলাকায় একাধিকবার দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনার ঘটনাও ঘটেছে। এমনকি অতীতে এক সংঘর্ষের ঘটনায় তিনি আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন এলাকাবাসী। তবে এসব ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে আবারও পুঠিয়া ও দুর্গাপুর উপজেলার বিভিন্ন সরকারি জলমহল ইজারা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে কয়েকটি সমিতির নামে ইজারা দেখানো হলেও বাস্তবে প্রভাবশালী একটি চক্র সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ করছে। সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কম মূল্যে জলমহল ইজারা নেওয়ার মাধ্যমে কোটি টাকার অনিয়ম সংঘটিত হচ্ছে।
অনুসন্ধানে আরো জানা যায়, মাছের খাদ্য উৎপাদনের জন্য একটি ফিড মিল স্থাপনের বিষয়েও নানা আলোচনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সরকারি কোনো সংস্থার আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন এখনো প্রকাশ হয়নি।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...