জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ-২০২৬ এ নারায়ণগঞ্জ জেলা ও বন্দর উপজেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়েছে কলাগাছিয়া ইউনিয়নের ঘারমোড়াস্থ বিশ্বনবী (সঃ) ইসলামিয়া আলিম মাদরাসা। এ শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ হলেন মাওলানা মো. জাহাঙ্গীর আলম।
১৯৭৭ সালে কলাগাছিয়ার ঘারমোড়া এলাকায় প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত হয়। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও আলীম পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে ।
বিগত কয়েক বছর ধরেই এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা দাখিল ও আলীমে কৃতিত্বপুর্ণ ফলাফল অর্জন করে আসছে ।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর বিষয়ভিত্তিক উন্নয়ন কল্পে ভালো কাজ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঢেলে সাজানো, শ্রেণি শিক্ষকদের ঠিকমতো পরিচালনা করা, প্রশ্ন প্রণয়ন ও মূল্যায়নের পদ্ধতি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভিভাবক হিসেবে সুন্দর দায়িত্ব পালন করে আসছেন মো. ইকবাল হোসেন। তার সহযোগিতায় এবং শিক্ষকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে এ প্রতিষ্ঠান এই সম্মান অর্জন করলেন।
এ সফলতার বিষয়ে অধ্যক্ষ মো. জাহাঙ্গীর আলম’র সাথে কথা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমি প্রথমেই মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি এবং মূল্যায়ন কমিটিসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। দয়াময় আল্লাহর দয়ায় আমার ওপর অর্পিত এ দায়িত্ব আরো সুন্দর এবং দক্ষতার সাথে যেন পালন করতে পারি- সকলের কাছে এই দোয়া চাই। এ মাদ্রাসার অভিভাবক প্রতিনিধি মো. ইকবাল হোসেন তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে শিক্ষক এবং ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি দায়িত্ব নিয়ে কাজ করায় তাহার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও তাকে ধন্যবাদ জানাই। আমি আশাকরি তিনি যেভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন আগামীতে আরও সুন্দর ভাবে তিনি আমারে সাহায্য সহযোগিতা করে পাশে থাকবেন।
শিক্ষক প্রতিনিধি মো. আবু হানিফা বলেন, আমাদের যতটুকু দায়িত্ব ছিল তার চেয়েও ছাত্র-ছাত্রীদের উপর চাপ সৃষ্টি করে পড়ালেখা আদায় করে নিয়েছি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি আমাদের এই উচ্চ শিখরে প্রতিষ্ঠা করার জন্য।
অভিভাবক প্রতিনিধি মো. ইকবাল হোসেন বলেন, এ প্রতিষ্ঠানের প্রতি অত্র এলাকার সবারই দৃষ্টি আছে। সবার সহযোগিতায় এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠাতা হয় আজ এ প্রতিষ্ঠান বন্দর উপজেলা এবং নারায়ণগঞ্জ জেলায় শ্রেষ্ঠ মাদ্রাসা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এটা সকল, অভিভাবক, ছাত্র-ছাত্রী এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সার্বিক সহযোগিতায়। আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা যাপন করছি এবং আমাকে অভিভাবক প্রতিনিধি করায় আমার যতটুকু দরকার এ প্রতিষ্ঠানের জন্য আমি কাজ করে যাচ্ছি। আমি ছাত্র-ছাত্রীদের কল্যাণের জন্য গিয়েছি, তাদের কল্যাণে আমি কাজ করেছি, আশা করি এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি আবারো আগামীতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা পাবে। আমি চাই আমার ছাত্র-ছাত্রীরা মনোযোগ দিয়ে পড়ালেখা করলে অবশ্যই আগামীতে আমরা এ প্রতিষ্ঠানের সম্মান রক্ষা করতে পারবো।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...